Advertisement Guideline

ঢাকা মহানগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও
বিজ্ঞাপন নীতিমালা-২০০৯

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনামঃ- এই নীতিমালা ‘‘ঢাকা মহানগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও বিজ্ঞাপন নীতিমালা-২০০৭” নামে অভিহিত হবে।

২। পরিধিঃ- এই নীতিমালা ডিএনসিসি’র সীমানার মধ্যে সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা, বেসরকারী, ব্যক্তিমালিকানাধীন ভুমি বা ভবনের দেয়ালে ও ছাদে এবং ডিএনসিসি’র নিয়ন্ত্রণাধীন যেকোন ভূমি অথবা স্থাপনায় বিভিন্ন আকারের ও ধরণের সৌন্দর্যবর্ধন ও বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপনের জন্য প্রযোজ্য হবে।

৩। উদ্দেশ্যঃ-

ক) পরিবেশ সম্মতভাবে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার জমি, ভবনের দেয়াল, ছাদ, ফুটপাত, সড়কের মিডিয়ান, সড়কের কাঁচা অংশ, সড়কদ্বীপ, সড়ক চত্বর, পার্ক, ফুটওভার ব্রীজ, ফ্লাইওভার এবং অন্যান্য প্রযোজ্য স্থানের সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম সম্পাদনসহ বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের মাধ্যমে মহানগরীর নান্দনিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিকরণের পাশাপাশি ডিএনসিসি’র রাজস্ব আয় বৃদ্ধিকরণ ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলা ।

খ) নগরবাসীদেরকে তাদের নিজ নিজ বাড়ী/ বাড়ীর পাশের্ব/ বাড়ীর সামনে বাগান করা এবং রম্নফ গার্ডেন করার মাধ্যমে সবুজায়নকরণ, জাতীয় দিবসে বাড়ী-ঘর রং করণে উদ্বুদ্ধকরণ।

গ) জননিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য, জনসম্পত্তি ও জনকল্যাণের ন্যূনতম মান রক্ষা করে সৌন্দর্যবর্ধন ও বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের ডিজাইন তৈরী ও স্থাপনকরণ।

ঘ) বিজ্ঞাপন/সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম এমনভাবে হবে যেন তা আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং শিল্প এলাকার স্ব-স্ব ভাবমুর্তি বহন করতে সমর্থ হয়।

ঙ) ‘‘Green Dhaka, Clean Dhaka ’’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকা মহানগরীকে আরো সবুজায়ন ও সৌন্দর্যমন্ডিত করে গড়ে তোলা।

চ) সৌন্দর্যের দিক থেকে রাজধানী ঢাকাকে উন্নত বিশ্বের তুলনীয় শহরে পরিণত করা ।

৪। ক)� পারিভাষিক শব্দাবলী (Terminology)/ শব্দের ব্যাখ্যাঃ-

বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকলে, এই নীতিমালায় নিম্নলিখিত Term /শব্দগুলো নিম্নোক্ত ভাবে সংঙ্গায়িত হবে। যথাঃ-

�����������������������������������

কর্তৃপক্ষ� :

কর্তৃপক্ষ বলতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এর কর্তৃপক্ষকে বুঝাবে।

করপোরেশনঃ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন(Dhaka North City Corporation)

ডিএনসিসি /DNCC

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (Dhaka North City Corporation)

মেয়র/প্রশাসকঃ

ঢাক উত্তর সিটি করপোরেশন এর মেয়র/প্রশাসক।

ফরমঃ

এই নীতিমালার সাথে সংযোজিত/সংশিস্নষ্ট কার্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত বিভাগ/শাখা হতে সরবরাহকৃত ফরম।

বিজ্ঞাপনী ফলক/ বিজ্ঞাপনী স্থাপনাঃ

ডিএনসিসি এর সীমানার মধ্যে সরকারী, আধাসরাকারী, স্বায়ত্বশাসিত, বেসরকারী, ব্যক্তিমালিকানাধীন ভূমি/ ছাদে এবং ডিএনসিসি নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোন ভূমি অথবা স্থাপনা এর অংশবিশেষ যা পণ্যের/ সেবার প্রচার, বাজারজাত, ব্যবসার উদ্দেশো বিজ্ঞাপন সাইন/ফলক/ স্থাপনা স্থাপনের মাধ্যেমে ব্যবহৃত হবে।

স্থান নির্ধারণী কমিটিঃ

বিজ্ঞাপন/ সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য স্থান নির্ধারণ ও অনুমোদনের লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গঠিত কমিটি।

Right of way of the road

রাসত্মা এবং রাসত্মা সংলগ্ন ফূটপাত।

Clearance (স্বচ্ছতা)ঃ

Pavement বা গ্রেড বা ভূমি বা ছাদ (যে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) হতে বিজ্ঞাপন / সাইন বোর্ডের প্রামেত্মর ব্যবধান।


বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের কর বা মডেল ট্যাক্সঃ

ডিএনসিসি’র জায়গা ব্যতীত অন্য যে কোন জায়গায় অর্থাৎ ব্যক্তিমালিকানাধীন বা অন্য সংস্থার জায়গায় স্থাপিত বিজ্ঞাপনী ফলকের জন্য ডিএনসিসিকে প্রদত্ত বিজ্ঞাপনী কর।

বিজ্ঞাপনী করঃ

ডিএনসিসি’র জায়গায় বা ডিএনসিসি’র যে কোন ভবনের ছাদে স্থাপিত বিজ্ঞাপনী ফলকের জন্য বিজ্ঞাপনী কর।

Public Passage

জন চলাচলের পথ।

Lay - out

কোন একটি জায়গায় বিভিন্ন স্থাপনা প্রদর্শন পূর্বক স্কেলে নক্সা উপস্থাপন।

বহুতল ভবনঃ

‘‘ইমারত নির্মাণ বিধমালা-২০০৮’’-এ সংগায়িত বহুতল ভবন

মহাপরিকল্পনা (Master Plan)

ঢাকা মহানগরীকে সৌন্দর্যবর্ধন করণ ও বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপনের জন্যে স্বল্প বা দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণকরণ।

৪। খ)�� বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী বোর্ড/ ফলক/স্থাপনার নামকরণঃ-

Balcony Sign

একটি বিজ্ঞাপনী সাইন যা একটি ভবনের বারান্দা অথবা ব্যালকনিতে সংযুক্ত বা টানানো।

Electric Signt

টিউব বাতি অথবা অন্য বাতির মাধ্যমে অথবা অন্যান্য ইলেকক্ট্রিক ফিটিংস্ দ্বারা আলোক সজ্জিত একটি আউটডোর বিজ্ঞাপনী ডিসপ্লে সাইন।

Ground Signt

ভূমিতে স্থাপিত স্বাধীন স্থাপনা, ভূমির উপর প্রদর্শিত অথবা মুদ্রিত একটি আউটডোর এ্যাডভারটাইজিং ডিসপ্লে সাইন।

Projecting Sign

প্রজেক্টর দ্বারা চালিত দেয়াল সাইন যা একটি বিল্ডিং এর দেয়াল অথবা বহিঃস্থতলের সহিত সাইন-ফেস সমান্তরাল থাকবে।

Acrylic Sign

এ্যাক্রেলিক বস্ত্ত দ্বারা তৈরী সাইন যা কোন স্থাপনার উপর লাগানো থাকে।

Roof Sign

একটি আউটডোর সাইন, যা সরাসরি বিল্ডিং এর ছাদে বহিঃস্থতলে /চিত্রিত/ মুদ্রিত/ সংযোজিত অথবা ঝুলানো থাকে।

Bel Sign

সোজা পোলের উপর নির্দিষ্ট মাত্রার উচ্চতায় স্থাপিত/ ঝুলানো সাইন।

Electric Pole Sign

ইলেক্ট্রিক পোলে ভূমি থেকে নির্ধারিত উচ্চতায় স্থাপিত সাইন।

Vehicle Sign

কোন যানবাহনের পার্শ্বে স্থাপিত/ মুদ্রিত সাইন অথবা যানবাহনের ছাদে প্রদর্শিত সাইন।

Mega Sign

ভূমিতে স্থাপিত T আকৃতির অথবা ফ্লাগ আকৃতির সাইন।

Marquee Sign

একটি অভিক্ষেপণকারী (Projection) সাইন যা Marquee ক্যানপিতে সংযুক্ত অথবা টানানো।

Hoarding/Bill Board / Nion Sign

ভূমিতে অথবা ইমারতের দেওয়ালে অথবা ছাদে স্থাপিত সাইনবোর্ড।

Plastic/ Panaflex Sign

প্যানাফ্লেক্স / প্লাস্টিকের তৈরী সাইন।

LED Trivision Sign

তিনটি বিজ্ঞাপন Scroll এর মাধ্যমে একই বোর্ডে প্রদর্শন করা যায়।

Digital TV Sign

শব্দ যুক্ত এবং TV- এর ন্যায় প্রচার করা যায়- এ ধরণের সাইন।

Tin Signt

বৈদ্যুতিক পোল অথবা সমজাতীয় কোন স্থাপনায় টিন দ্বারা স্থাপিত সাইন।

Unipole Sign

বিভিন্ন ব্যাসের জিআই/এম এস পাইপের পোলের উপর দন্ডায়মান সাইন যাহা ভূমিতে স্থাপিত একটি স্বাধীন স্থাপনা যার সর্বোচ্চ অবস্থানে বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয়।

Wall Sign

ওয়াল সাইন বা দেয়াল সাইন যাতে দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রদর্শিত হয়।

Reflector Sign

বিজ্ঞাপনী বোর্ডে আলোর প্রতিফলন হয় এমন সাইন।

ব্যানারঃ

অস্থায়ী যে কোন প্রচারণার জন্য কাপড়ের উপর প্রচারণার বিষয়বস্ত্ত লিখে/ প্রিন্ট করে / ডিজিটাল প্রিন্ট করে টানিয়ে দেয়া।

ফেস্টুনঃ

স্থায়ী /অস্থায়ী যে কোন প্রচারনার জন্য কাপড়ের উপর প্রচারনার বিষয়বস্ত্ত লিখে/ প্রিন্ট করে / ডিজিটাল প্রিন্ট করে কাঠ / পাইপের ফ্রেমে আটকিয়ে টানিয়ে দেয়া অথবা ঝুলিয়ে দেয়া।

সাইন বোর্ডঃ

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম/পরিচিতি প্রদর্শন হয়।

Traffic Sign

রাসত্মা নির্দেশক ও ট্রাফিক সংশ্লিষ্ট সাইন


Shop Sign

স্থায়ী /অস্থায়ী যে কোন প্রচারণার জন্য দেয়াল/স্থাপনার উপর রং দিয়ে লেখা, প্যানাফ্লেক্স/ কাপড়ের উপর প্রচারণার বিষয়বস্ত্ত লিখে/ প্রিন্ট করে / ডিজিটাল প্রিন্ট করে কাঠ / পাইপের ফ্রেমে আটকিয়ে দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে টানিয়ে দেয়া অথবা ঝুলিয়ে দেয়া।

Indicator Sign

টিন/ প্যানাফ্লেক্স/ কাপড়ের উপর প্রচারণার বিষয়বস্ত্ত লিখে/ প্রিন্ট করে / ডিজিটাল প্রিন্ট করে কাঠ / পাইপের ফ্রেমে আটকিয়ে দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি যে কোন স্থাপনার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নির্দেশনা প্রদানকারী বিজ্ঞাপনী ফলক।

৫। ����� বিধিমালার প্রাধান্যঃ-

  • বিজ্ঞাপন নীতিমালা-২০০৩ বা অন্য কোন বিধিমালায় যা কিছুই থাকুকনা কেন, এই বিধিমালার বিধানাবলী কার্যকর থাকবে।
  • ডিএনসিসি’র অনুমতি ব্যতিরেকে সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা, বেসরকারী, ব্যক্তিমালিকানাধীন ভুমি বা ভবনের দেয়ালে ও ছাদে এবং ডিএনসিসি’র নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোন ভূমি অথবা স্থাপনায় অর্থাৎ ডিএনসিসি’র সীমানার ভিতর কোন প্রকার বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করা যাবে না।

৬।������ রাস্তার শ্রেণীবিন্যাসঃ-

ঢাকা মহানগরীতে বিজ্ঞাপনী ফলক লাগানো ও সৌন্দর্যমন্ডিত করণের লক্ষ্যে এর বিভিন্ন রাসত্মা ৩(তিন) শ্রেণীতে বিভক্ত করা হবে। যথাঃ-�����

ক-শ্রেণীঃ এর অন্তর্ভূক্ত যার প্রশসত্মতা ১৪.৫ মি. বা ৪৮ ফুট-এর উর্ধ্বে। এই এলাকার অমত্মর্ভূক্ত রাসত্মার সংলগ্ন ফুটপাতের ধার হতে ন্যূনতম ১.৫ মি. দূরে প্রতি ১০০ মি. দূরত্বে সর্বোচ্চ ৮০০ বর্গফুট আয়তনের বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপন করা যেতে পারে। অর্থাৎ ১ কি.মি. রাসত্মার উভয় পার্শ্বে সর্বোচ্চ মোট ২০টি বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপন করা যেতে পারে।

খ- শ্রেণী ঃ এর অন্তর্ভূক্ত যার প্রশসত্মতা সর্বোচ্চ ১৪.৫ মি. বা ৪৮ ফুট। এই এলাকার অন্তর্ভূক্ত রাস্তার সংলগ্ন ফুটপাথের পর কাচাঁ অংশে/জমির দেয়াল ঘেঁষে প্রতি ৭৫ মি. দূরত্বে সর্বোচ্চ ৫০০ বর্গফুট আয়তনের বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপন করা যেতে পারে। অর্থাৎ ১ কি.মি. রাসত্মার উভয় পার্শ্বে সর্বোচ্চ মোট ২৮টি বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপন করা যেতে পারে।

গ- শ্রেণীঃ এর অন্তর্ভূক্ত Collector Road যার প্রশসত্মতা সর্বোচ্চ ৯ মি. বা ৩০ ফুট। এই এলাকার অমত্মর্ভূক্ত রাসত্মার সংলগ্ন ফুটপাথের পর কাচাঁ অংশে/জমির দেয়াল ঘেঁষে প্রতি ৩৫ মি. দূরত্বে সর্বোচ্চ ৩০০ বর্গফুট আয়তনের বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপন করা যেতে পারে।

৭।������ সৌন্দর্যবর্ধন ও বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন এবং উচ্ছেদ সংক্রান্ত কমিটিঃ-

(১)������� ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃক অফিস আদেশের মাধ্যমে নির্দিষ্টসংখ্যক সদস্য নিয়ে ‘‘স্থান নির্ধারণী কমিটি’’ গঠন করবে। যেখানে ন্যূনতম ১ (জন) কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন সদস্য অন্তর্ভূক্ত থাকবে এবং বিউটিফিকেশন ও বিজ্ঞাপন কাজের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা পদাথিকারবলে কমিটির সদস্য-সচিব থাকবেন।

(২)������� স্থান নির্ধারণী কমিটিকে সৌন্দর্যবর্ধন/ নাগরিক সুবিধা প্রদান/ অবৈধ বিজ্ঞাপনী স্থাপনা উচ্ছেদসহ প্রয়োজনীয় কাজে সহায়তার জন্য কর্তৃপক্ষের অফিস আদেশে প্রতিটি অঞ্চলে একটি করে ৫ টি অঞ্চলে ৫টি আঞ্চলিক কমিটি গঠিত হবে।

(৩)������� কাজের সুবিধার জন্য কমিটি যে কোন ব্যক্তি/ কর্মকর্তাকে সদস্য হিসেবে কো-অফট করতে পারবে।

(৪)������� উভয় কমিটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্তৃপক্ষের নিকট দায়বদ্ধ/ জবাব দিহি করতে বাধ্য থাকবে।

৮।������ ক)����� স্থান নির্ধারণী কমিটির করণীয়ঃ-

(১)������� স্থান নির্ধারণী কমিটির আহবায়ক, কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে যাবতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করবেন।

(২)������� আহ্বায়কের সম্মতিক্রমে সদস্য-সচিব সভা আহ্বান করবেন।

(৩)������� সদস্য-সচিব সভার কর্মসূচি প্রণয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন/ নাগরিক সুবিধা প্রদান/ বিজ্ঞাপন সংক্রামত্ম আবেদনগুলো সভায় উপস্থাপন করবেন।

(৪)������� সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাধিক্যের মতামতের ভিত্তিতে যে কোন বিষয়ে সিদ্ধামত্ম গৃহীত হবে। তবে সমতার ক্ষেত্রে আহ্বায়কের সিদ্ধামত্মই চূড়ান্ত হবে।

(৫)������� সদস্য-সচিব সভার কার্যবিবরণীর সিদ্ধামত্মগুলো প্রশাসনিক বৈধতার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের/ মেয়র/প্রশাসক মহোদয়ের অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করবেন।

(৬)������� সৌন্দর্যবর্ধন/ বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন/ নাগরিক সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে কোন সংস্থা বা ব্যক্তিকে অনুমতি দিতে এবং অনুমতি বাতিল করতে সভার সর্বসম্মত সিদ্ধামত্ম প্রয়োজন হবে।

(৭)������� বিশেষ বিবেচনায় কমিটির সভা ব্যতীত যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে অনুমতি প্রদান অথবা বাতিল করলে পরবর্তী সভায় তা অবগত করতে হবে।

(৮)������� আহ্বায়কের নিদের্শে সদস্য-সচিব সৌন্দর্যবর্ধন/নাগরিক সুবিধা প্রদান / বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন সংক্রামত্ম যাবতীয় কাজ মনিটরিং করবেন।

(9)কর আদায়ে/ বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত যে কোন অর্থ আদায়ের চালানে সদস্য-সচিব স্বাক্ষর করবেন।

(১০)������ স্থান নির্ধারণী কমিটি Bangladesh National Building Code (BNBC) অনুসরণে অনুমতির ক্ষেত্রে মতামত প্রদান করবেন।

খ)������ আঞ্চলিক কমিটির কারণীয়ঃ-

(১)������� আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক, সদস্য-সচিবের সহায়তায় স্ব-স্ব অঞ্চলের সকল অবৈধ বিলবোর্ড সনাক্তপূর্বক উচ্ছেদের ব্যবস্থা নিবেন।

(২)������� সময়ে সময়ে স্থান নির্ধারণ কমিটির আহবায়কের অনুরোধে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

(৩)������� আঞ্চলিক কমিটি, অঞ্চলে স্থাপিত সকল অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদের দায়-দায়িত্ব বহন করবেন।

(৪)������� অঞ্চল এলাকার সকল ব্যানার /ফেস্টুন/টিনসাইন/ পোস্টার ইত্যাদিসহ যে কোন অনুমোদনবিহীন প্রচার সামগ্রী নিয়মিত উচ্ছেদের ব্যবস্থা নিবেন।

(৫)������� আঞ্চলিক কমিটি উচ্ছেদকৃত/ জব্দকৃত মালামাল নির্ধারিত স্থানে জমা প্রদানপূর্বক প্রকাশ্য নিলাম/উন্মুক্ত টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

গ)������ উম্মূক্ত দরপত্র আহবানের মাধ্যমে সৌর্ন্দবর্ধনসহ বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপনঃ-
ঢাকা সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন ফুটওভারব্রীজ, ফ্লাইওভার, সংবাদপত্র বিক্রয়কেন্দ্র, গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশন, ভিআইপি সড়ক, ট্রাফিক আইল্যন্ড ও অন্যান্য গুরম্নত্বপূর্ণ স্থাপনা উম্মূক্ত দরপত্র আহবানের মাধ্যমে সৌর্ন্দবর্ধনসহ বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপনের ব্যবস্থা নেয়া যাবে। এক্ষেত্রে ল্যন্ডস্কেপিং, সমসাময়িক আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারসহ সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয়টি গুরম্নত্ব দেয়া হবে।
ঘ)������ বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদানঃ-

ঢাকা মহানগরীর বিউটিফিকেশন কাজে জড়িত ব্যক্তি/ সংস্থাকে বিলবোর্ড / বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া যেতে পারে। অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রে-

(১)১টি ফুটওভার ব্রীজের বিজ্ঞাপন প্রদানের ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক কর ও শর্ত ব্যতীত অনুমোদিত নক্সানুযায়ী ন্যূনতম ৩০০ বর্গ মিটার সড়কের মিডিয়ান/পার্ক সৌন্দর্যবর্ধন করতে হবে।

()বিলবোর্ড/ ইউনিপোল/ ম্যাগা সাইন-এর ক্ষেত্রে অনুমোদিত বোর্ডের আয়তনের কমপক্ষে ৫ গুন আয়তন এলাকা শহরের যে কোন স্থানে (সড়কের মিডিয়ান/পার্ক) অনুমোদিত নক্সানুযায়ী সৌন্দর্যবর্ধন করতে হবে।

() ট্রাইভিশন/স্ক্রলভিশন সাইন-এর ক্ষেত্রে অনুমোদিত বোর্ডের আয়তনের কমপক্ষে ১০ গুন আয়তন এলাকা শহরের যে কোন স্থানে (সড়কের মিডিয়ান/পার্ক) অনুমোদিত নক্সানুযায়ী সৌন্দর্যবর্ধন করতে হবে।

(৪) ১টি ডিজিটাল টিভি সাইন-এর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২০০ বর্গ মিটার সড়কের মিডিয়ান/পার্ক সৌন্দর্যবর্ধন করতে হবে।

(৫) ১টি যাত্রী ছাউনী/ ৪টি পুলিশ ক্যানপির জন্য কমপক্ষে ১০০ বর্গ মিটার সড়কের মিডিয়ান/পার্ক সৌন্দর্যবর্ধন করতে হবে।

(৬) ঢাকা সিটি বিউটিফিকেশন কাজে জড়িত বিজ্ঞাপনী সংস্থাকে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদান করা যেতে পারে।

(৭) কোন সংস্থা সৌন্দর্যবর্ধন কাজের অনুমতি নিয়ে অনুমতি পত্রে বর্ণিত শর্তাবলী যথাযথ ভাবে অনুসরণ না করলে এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে আন্তরিক না হলে-তদন্ত সাপেক্ষে অনুমতি বাতিল করা/ অনুমতি দেয়া বিজ্ঞাপনী বোর্ডের নবায়ন না করার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

(৮) নাগরিক সুবিধাদি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনে অগ্রাধিকার দেয়া যেতে পারে।

ঙ)������ সৌন্দর্যবর্ধনে/ নাগরিক সুবিধা প্রদানে অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রেঃ-

(১)������� আবেদিত ব্যক্তি /প্রতিষ্ঠান ডিএনসিসি’র ফুটওভার ব্রীজের ছাউনি/ যাত্রীছাউনি নির্মাণসহ বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের অনুমতি চেয়ে থাকলে তাকে/ সে প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে অগ্রধিকার দেয়া যেতে পারে।

(২)������� আবেদিত স্থান সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য একাধিক ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হলে আবেদনকারী ও ডিএনসিসি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসা করবেন। অন্যথায় প্রথম আবেদনকারীকে অগ্রাধিকার দেয়া যেতে পারে।

(৩)������� আবেদিত ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানের নিকট বিজ্ঞাপন কর / মডেল ট্যাক্স/ অন্যান্য ফিস বাবদ ডিএনসিসি’র কোন বকেয়া পাওনা থাকলে তার/ সে প্রতিষ্ঠানের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

(৪)������� আবেদিত ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানের বিরম্নদ্ধে কোন অভিযোগ / শাসিত্মমূলক ব্যবন্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকলে তার/ প্রতিষ্ঠানের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

(৫)������� আবেদিত ব্যক্তি /প্রতিষ্ঠানকে ইতিপূর্বে জনস্বার্থে/ডিএনসিসি’র স্বার্থে পত্র দিয়ে কোন নির্দেশনা বাসত্মবায়নে অনুরোধ করলে সে অনুরোধ অগ্রাহ্য হলে অথবা অনুরোধ যথাযথ ভাবে বাস্তবায়ন না করা হলে তার/ সে প্রতিষ্ঠানের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

চ)�������� বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রেঃ-

(১) আবেদিত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের নিকট ইতিপূর্বে ডিএনসিসির কোন বকেয়া বিজ্ঞাপনী কর/ মডেল ট্যাক্স পাওনা থাকলে তার/ সে প্রতিষ্ঠানের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

(২) উন্নয়নমূলক কাজে / জনস্বার্থে অনুমোদিত কোন বিজ্ঞাপন ফলক উচ্ছেদ করা হলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি /প্রতিষ্ঠানের আবেদন গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

(৩) আবেদিত স্থান ইতিপূর্বে অন্য কোন ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হলে বর্তমান আবেদনকারীর আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

(৪) আবেদনকারী ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপন ফলক লাগানোর জন্য ইতিপূর্বে অনুমতি প্রাপ্ত বিজ্ঞাপন ফলকগুলো স্থাপনের ক্ষেত্রে শর্তাবলী সম্পূর্ণ প্রতিপালন না করলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

(৫) সাধারণ ঝড় তুফানে কোন বিজ্ঞাপনী ফলক পড়ে গেলে অনুমতি পত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে তথায় ঐ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান পুনরায় বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করতে পারবে না। ঝড় তুফানের দিন হতে পরবর্তী এক বছরের জন্য তার /প্রতিষ্ঠানের নতুন কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

(৬) আবেদিত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের বিরম্নদ্ধে কোন অভিযোগ/ শাসিত্মমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তার/ সে প্রতিষ্ঠানের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

() ছাদে বা বহুতল ভবনের দেয়ালে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের ক্ষেত্রে ছাদের বা ভবনের মালিক/ কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র বা অনাপত্তি পত্র ব্যতিরেকে কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

() বৈদ্যূতিক পোলে কোন প্রকার বিজ্ঞাপনী সাইন বা সৌন্দর্যবর্ধনের কোন ফুলের টব স্থাযীভাবে স্থাপন করা যাবে না।

() যানবাহনের ক্ষেত্রে - সামনে ও পিছনে বিজ্ঞাপন দেয়া যাবে না- দুই পার্শ্বে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা যেতে পারে।

(১০) বৎসরের যে কোন সময় বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের অনুমতির তারিখ থেকে অর্থ বছরের হিসাব মিলিয়ে ৩০ জুন পর্যমত্ম কমবেশী ১ (এক) বছরের জন্য সাময়িক বরাদ্দ হিসেবে বিবেচিত হবে। পরবর্তী বছরে আবেদন যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে নবায়ন করা যেতে পারে।

ছ)������ অন্যান্য বিজ্ঞাপনী ফলক/ প্রচার সামগ্রী স্থাপনের ক্ষেত্রে করণীয়ঃ

(১)������� জাতীয় দিবস/বিশেষ দিন/ ভাষা দিবসে অর্থাৎ যে ক্ষেত্রে ডিএনসিসিকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নগর সজ্জিতকরণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় সে ক্ষেত্রে নগর সজ্জিত করতে ডিএনসিসি যে কোন ব্যক্তি /সংস্থাকে স্পন্সর হিসেবে অনুমতি দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে স্পন্সর প্রদান কারীকে প্রয়োজনীয় শর্ত আরোপ করা যেতে পারে। তবে স্পন্সরকারীর প্রতি বিজ্ঞাপনী কর /মডেল ট্যাক্স আরোপ করা যাবে না।

(২)������� জাতীয় দিবস /বিশেষ দিন/ বিশেষ সপ্তাহ/ বিশেষ পক্ষ ইত্যাদিতে যে ক্ষেত্রে ডিএনসিসি কর্তৃক নগর সজ্জিতকরণে বাধ্যবাধকতা নেই, সে ক্ষেত্রে ডিএনসিসি আবেদনকারী সরকারী /বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকে ব্যানার /ফেস্টুন/পস্ন্যাকার্ড/ রোড সাইন/ ভেনিউম্যাপ/ বড় বেলুন ইত্যাদি নির্দিষ্ট দিন/ সময়/ স্থান/ সংখ্যা উলেস্নখ পূর্বক অনুচ্ছেদ-১৩ (গ) অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বিজ্ঞাপনী কর আদায় সাপেক্ষে অনুমতি দিতে পারবে।

জ)����� ফুটওভার ব্রীজ/ যাত্রীছাউনি/ ট্রাফিক ক্যানপি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রেঃ-

(১)�� ফুটওভার ব্রীজ/ যাত্রীছাউনি/ ট্রাফিক ক্যানপি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ-এর ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনী কর/ মডেল ট্যাক্স এর সাধারণ রেট প্রযোজ্য হবে না।

(২)�� অনুমতি দেয়া হয়নি এমন ফুটওভার ব্রীজ/ যাত্রীছাউনি/ ট্রাফিক ক্যানপি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথগুলোর তালিকা করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে উন্মুক্ত দর পত্র আহ্বান করতে হবে।

(৩)�� সর্বোচ্চ দরদাতাকে ফুটওভার ব্রীজ/ যাত্রীছাউনি/ ট্রাফিক ক্যানপি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথগুলো স্থাপনের অনুমতি দেয়া যেতে পারে।

()�� সকল ক্ষেত্রে পরিমিত স্কেলে বিবরণ ও পরিমাপসহ স্থাপত্য নকশা (প্লান, এলিভিশন, প্রয়োজনীয় পারসপেক্টিভ ভিউ) অনুমোদন বাধ্যতামূলক।

()�� আই.ই.বি.-এর সার্টিফিকেটধারী প্রকৌশলী দ্বারা নকশা তৈরী ও তাহার তত্ত্বাবধানে কাজটি বাসত্মবায়নের অঙ্গিকার থাকতে হবে।

৯।������ সৌন্দর্যবর্ধন/নাগরিক সুবিধা প্রদান /নগর সজ্জিতকরণ/বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনে আগ্রহীগণের / আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের করণীয়ঃ-

�����������

ক) ���� সৌন্দর্যবর্ধন / নাগরিক সুবিধা প্রদান/নগর সজ্জিতকরণে আগ্রহীগণের করণীয়ঃ-

(১)������� সাদা কাগজে/ প্রতিষ্ঠানের প্যাডে যে স্থান /সড়ক/সড়কদ্বীপ/পার্ক ইত্যাদির সৌন্দর্যবর্ধন অথবা যে যে ক্ষেত্রে নাগরিক সুবিধা বা নগর সজ্জিতকরণে আগ্রহী তা উলেস্নখপূর্বক ‘‘মাননীয় মেয়র/প্রশাসক / প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, নগর ভবন, ঢাকা’’ বরাবরে আবেদন দাখিল করতে করা যাবে।

(২)������� আবেদনের সাথে সৌন্দর্যবর্ধনের দিকসমূহ বর্ণনা ও পরিমাপসহ প্রয়োজনীয় স্থাপত্য নক্সা দাখিল করতে হবে।

(৩)������� আবেদনকারীর আবেদন বিবেচনা করা হলে অনুমতিপত্রে দেয়া শর্তাবলী এবং সৌন্দর্যবর্ধন ও বিজ্ঞাপন মাস্টার পস্ন্যান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

(৪)������� সময়ে সময়ে ডিএনসিসি কর্তৃক দেয়া পত্রানুযায়ী যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

����������� খ)������ বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের ক্ষেত্রে আগ্রহী ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানের করণীয়ঃ-

(১)������ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে ডিএনসিসি’র নির্ধারিত বিভাগ/ শাখায় তালিকাভুক্ত হতে হবে।

ক)������ তালিকাভুক্তির আবেদন ফরমের নমুনা (এনেক্স-১ দ্রষ্টব্য)।

খ)�������� বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপনের আবেদন ফরমের নমুনা (এনেক্স-২ দ্রষ্টব্য)।

(২)������ তালিকাভুক্তির ফরম নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে ডিএনসিসি’র নির্ধারিত বিভাগ/শাখা হতে সংগ্রহ করা যাবে। সংগ্রহকৃত ফরমটি যথাযথভাবে পুরণ করে এবং প্রয়োজনীয় কাগজ/ দলিলপত্রাদির সত্যায়িত কপি, প্রয়োজনীয় নক্সা ও বিবরণসহ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত বিভাগ/শাখায় জমা প্রদান করতে হবে।

(৩)������ তালিকাভুক্তির পর বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের আবেদন ফরম নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে ডিএনসিসি’র ভান্ডার বিভাগ হতে সংগ্রহ পূর্বক যথাযথভাবে পুরণ করে বিজ্ঞাপন শাখায় জমা দিতে হবে।

(৪)������ আবেদনকারী নগর সৌন্দর্যবর্ধন কাজে জড়িত থাকলে তার যথাযথ ব্যাখা আবেদনে পেশ করবেন।

(৫)������ আবেদন অনুযায়ী অনুমতি প্রাপ্ত হলে অনুমতিপত্রে বর্ণিত শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

(৬)������ সময়ে সময়ে ডিএনসিসি কর্তৃক দেয়া পত্রানুযায়ী যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণ করবেন।

(৭)������ বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের আবেদন বিবেচিত হলে ১৫(পনের) দিনের মধ্যে বিজ্ঞাপনী কর/ মডেল ট্যাক্স পরিশোধ করতে হবে।

(৮)������ নির্ধারিত ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে বিজ্ঞাপনী কর / মডেল ট্যাক্স পরিশোধে ব্যর্থ হলে বিবেচিত আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে পুনঃ আবেদনের প্রয়োজন হবে।

(৯)������ ডিএনসিসি’র নিজস্ব জায়গায়/ স্থানে/ভবনের দেয়াল বা ছাদে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য বিজ্ঞাপনী কর প্রদান করতে হবে।

(১০)������ ব্যাক্তিমালিকানাধীন/সরকারী/আধাসরকারী/ স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের জায়গায়/স্থানে/ভবনের দেয়াল বা ছাদে বিজ্ঞাপন প্রদানের জন্য মডেল ট্যাক্স প্রদান করতে হবে।

(১১)������ ব্যাক্তিমালিকানাধীন/সরকারী/ আধাসরকারী/স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের জায়গায়/ স্থানে/ ভবনের দেয়ালে বা ছাদে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য ঐ ব্যক্তি / প্রতিষ্ঠানের সাথে ভাড়ার চুক্তি সম্পাদনের দলিল/ অনুমতি পত্রের মূল কপি আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

(১২)������ কর্পোরেট ব্রান্ডিং/ডেভেলপার কর্তৃক স্থাপিতব্য প্রজেক্ট সাইন, ইনডোর/আউটডোর যে কোন ডিসপ্লে-এর জন্য এবং বেসরকারী হাসপাতাল/ডায়াগনস্টিক সেন্টার-এ পরিচিতিমূলক সাইনবোর্ডের ক্ষেত্রে মডেল ট্যাক্স প্রযোজ্য হবে।

১০।������� ক)����� সড়কের পার্শ্বে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনে করণীয়ঃ-

) জন ও যান চলাচল বিঘ্নিত করে এরূপ সাইন অথবা রাস্তার মোড়/ইন্টারসেকশন-এ অফিসায়াল ট্রাফিক সাইন দেখার ক্ষেত্রে গাড়ী চালকের দৃষ্টিকে বিঘ্নিত করে/করতে পারে এরকম বৈদ্যুতিক/নিয়ন/ডিজিটাল সাইন সরাসরি Drive Way-বরাবর স্থাপন করা যাবে না।

) সাইনে ফ্লাশিং অথবা তীব্র উজ্জলতা বিশিষ্ট সবিরাম বাতি ব্যবহৃত হবে না।

) ফ্লাইওভার বা ওভারব্রীজের পাশে ফুটপাতের উপর অবস্থিত সাইন, ওভারব্রীজ বা ফ্লাইওভারের প্রাচীরের বা এর কোন অংশে আলো নিক্ষেপ করতে পারবে না।

) Right of way of the road অথবা ফুটপাত নেই এমন রাস্তার দুই ধার থেকে ১০ ফুট বা ৩মিঃ এর মধ্যে কোন সাইন স্থাপন করা যাবে না। রাস্তার ধার থেকে ১০ ফুট ছেড়ে যে সাইন স্থাপন করা যাবে তার আয়তন ১৩ বর্গফুট এর অধিক হবে না। তবে অতিরিক্ত প্রতি ১ মিটার দুরত্বের জন্য সাইনের আয়তন ০.৩ বর্গমিটার বৃদ্ধি করা যাবে।

) ব্রীজ, রেলওয়ে লেভেলক্রসিং অথবা ইন্টারসেকশন হতে কমপক্ষে ৫০ মিঃ এর মধ্যে সাইন স্থাপন করা যাবে না।

) মিডিয়ানে (প্রশসত্মতা এক মিটার কমের ক্ষেত্রে ) কোন প্রকার সাইন স্থাপন করা যাবে না।

) দোকান/ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান/অফিসের নামে প্রদর্শনের জন্য সংশিস্নষ্ট দোকান/ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান/অফিসের সম্মুখভাগের/ প্রবেশ পথের উপরে নির্ধারিত উচ্চতায় একই ধরণ, আকার ও আকৃতির বিজ্ঞাপন সাইন প্রদর্শন/প্রচার করা যাবে। এক্ষেত্রে ‘‘মাস্টার পস্ন্যান’’ এর সাথে সংগতি রেখে বিজ্ঞাপন সাইনগুলো পাশাপাশি একই Alignment/Straight Line- এ স্থাপিত হবে।

) সরকারী/বেসরকারী/ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনের নাম ও প্রতিষ্ঠাকাল সম্বলিত সাইন স্থাপন করা যাবে। তবে তা হবে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত সকল শর্তাবলী পালন সাপেক্ষে।

) সকল ধরনের বিজ্ঞাপন সাইন/ফলক/স্থাপনা- এর ধরণ, আকার, আকৃতি, প্রকৃতি ও আয়তন বিষয়ে কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত বিভাগ কর্তৃক ইতিবাচক মতামতের ভিত্তিতে অনুমোদন লাভের যোগ্য হবে।

১০) অনুমোদন প্রাপ্ত সাইন এর ধরন, আকার বা আকৃতিতে কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ব্যতীত কোন রূপ পরিবর্তন/পরিবর্ধন আনা যাবে না।

L)�������� সর্বক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের সাইজঃ-

১)������ Ground Sign

  • উপাদান-সুবিধাজনক অদাহ্য উপকরণ
  • উচ্চতা-আলোর প্রতিফলক বাদে সর্বোচ্চ ৯মিঃ।
  • স্বচ্ছতা-ভূমি হতে অবশ্যই ৬মিঃ উচু থাকবে তবে কোন পরিস্থিতিতেই প্রাউন্ড সাইন, ভবনের প্রবেশ বা নির্গমন পথে বাঁধা সৃষ্টি করবে না।

২)������ Roof Sign

  • স্বচ্ছতা-এক প্যাসেজ হতে অন্য প্যাসেজে যেতে বাঁধা সৃষ্টি করবে না। এরূপ প্যাসেজের আকৃতি ন্যূনতম ১ মিঃ প্রশস্ত ও ১.২৫ মিঃ উঁচু। পেছনে বা এর কোন অংশে এটা করা যাবে না।

৩)����� Projecting Sign

  • উচ্চতা যে কোন ক্ষেত্রে রাস্তা হতে ন্যূনতম স্বচ্ছতা হবে ২.৫ মিঃ। যখন কোন ৮ তলা বা ৩৬ মিঃ উঁচু ভবনে ঝুলানো হবে তখন এর সর্বোচ্চ উচ্চতা হবে ১৫ মিঃ। কিন্তু যখন ৮ তলা হতে ৫ তলা ভবন অথচ ৩৬ মিঃ এর কম এর ক্ষেত্রে উচ্চতা ১২ মিঃ। ৪ তলা ১৮ মিঃ কম উচ্চতা সম্পন্ন ভবনে উচ্চতা হবে ৯মিঃ বা তার চেয়ে কম।

৪)������ Projecting Sign

����� এর কোন অংশ কোন ভবনের ২মিঃ দুরত্বের বেশী Project করবে না। যখন এই সাইন রাস্তার দিকে মুখ করে থাকবে তখন এর Projection property line অতিক্রম করবে না। এই সাইন যে ভবনে সংযুক্ত করতে হবে তা যেন সেই ভবনের ছাদের চেয়ে উচুঁ না হয়।

৫)�������� Balcony Sign

  • স্থান- এই লাইন বারান্দার উচুঁ সীমাতে অবস্থিত হবে।
  • আকৃতি- এই সাইনের উচ্চতা ১মিঃ এর বেশী হবে না এবং এর দৈর্ঘ্য ২.৫ মিঃ পুরুত্ব ৫০মি.মি. এর বেশী হবে না। বাক্স আকৃতির লাইনের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য গভীরতা হবে সর্বোচ্চ ২০০ মি.মি.। Projection -এই সাইন Balcony line অতিক্রম করবে না এবং Ground level হতে স্বচ্ছতা থাকবে ২.৫ উঁচু পর্যন্ত।

৬)������ Marquee Sign

  • আকৃতি-এই সাইনের উচ্চতা ২মি. এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। এর পূর্ণ দৈর্ঘ্যের সমান দূরত্বের চেয়ে কম থাকতে পারবে।
  • স্বচ্ছতা- Clearance height ন্যূনতম ২.৫মি।

৭)������ Combination Sign

  • সমস্ত কম্বিনেশন সাইন ওপরের বিভিন্ন সাইনের জন্য প্রচলিত সব শর্ত পালন করবে।

৮)������ Hoarding/ Bill/ Nion

����� উপকরণ-ষ্টিলের স্ট্রাকচার/স্টিল বোর্ড

  • আকৃতি-উচ্চতা ৩ মি. হতে ৪.৫ মি. এবং ১০ মি. দৈর্ঘ্য ১০মি. হতে ১২মি. অর্থাৎ বোর্ডের আয়তন-সর্বোচ্চ ৩০ বর্গ মি. হতে ৫০ বর্গ মি. পর্যন্ত হতে পারে,
  • স্বচ্ছতা- Clearance height ন্যূনতম ২.৪ মি.।

৯)������ Mega Sign

������ উপকরণ-পলিকার্বন বা অনুমোদিত প্লাস্টিক।

  • আকৃতি-১ বর্গমিটার হতে ২.২০ বর্গমিটার পর্যন্ত স্বচ্ছতা।
  • স্বচ্ছতা- Clearance height নূন্যতম ২.৪ মি.।

১০)���� Tin/ Bell Sign

������� উপকরণ- অনুমোদিত প্লাস্টিক।

  • আকৃতি-১ বর্গমিটার
  • স্বচ্ছতা- Clearance height ন্যূনতম ৩.৪ মি.।

১১)����� Plastic/Panaflex Sign

  • স্থান-সড়ক দ্বীপ বা গোল আইল্যান্ড
  • উপকরণ-অনুমোদিত প্লাস্টিক
  • আকৃতি-৩ মিটার ১ মিটার = ৩ বর্গমিটার
  • স্বচ্ছতা- Clearance height ন্যূনতম ৩.০ মি.।

১২) ������ ট্রাফিক সিগন্যালকে বিঘ্নিত না করে Pavement হতে ৬ মিঃ উঁচুতে ট্রাফিক সিগন্যালের ১০ মিঃ দূরত্বের ভেতর আনুভূমিকভাবে (Vertically) এরূপ সাইন স্থাপিত হতে পারে।

১৩) ����� নেম পেস্নট তথা ব্যক্তি সনাক্তকরণের জন্য দেয়াল সাইন দেয়া যাবে। যার আয়তন ১২র্ ৭র্ ইঞ্চি এর অধিক হবে না।

১৪) ������ স্থান/পরিবেশ বিবেচনায় ভূমিতে স্থাপিত বিজ্ঞাপনী ফলকের সর্বোচ্চ (TOP) উচ্চতা ১০ (দশ) মিটার হতে পারবে।

১৫)������ স্থান/ পরিবেশ বিবেচনায় বিজ্ঞাপনী ফলকের পরিমাপ দৈর্ঘ্যে কমবেশী সর্বোচ্চ ১২ (বার) মিটার, প্রস্থে কমবেশী সর্বোচ্চ ৮ (আট) মিটার হতে পারবে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৯৬ (ছিয়ানববই) বর্গ মিটার হতে পারবে।

১৬)������ একই স্থানে স্থাপিত একাধিক বিজ্ঞাপনী ফলকের উচ্চতা দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ অবশ্যই একই পরিমাপের হতে হবে। এ ক্ষেত্রে পরে স্থাপনকারী ব্যক্তি পূর্বে স্থাপনকারীকে অনুসরণ করবেন বা করতে বাধ্য থাকবেন।

১৭)������� পথচারী এলাকার Clearence/স্বচ্ছতাঃ- এরূপ ক্ষেত্রে সাইন স্থাপনা অবশ্যই গ্রেড হতে ২.৪ মিটার বা ৮ ফুট উপরে স্থাপিত হবে।

১৮)������ যানবাহন এলাকার Clearence/স্বচ্ছতাঃ- রাইট অফ ওয়ের বাইরের এলাকায় যেখানে গাড়ী চলে অথবা পার্ক করা হয় এমন জায়গায় সাইন স্থাপনার উচ্চতা গ্রেড হতে অবশ্যই ৪.২ মিটার বা ১৪ ফুট উপরে হতে হবে।

গ) প্রজেকশন ওভার পাবলিক প্রপার্টি এবং পাওয়ার লাইন থেকে স্বচ্ছতাঃ-

High Adove Finished Grade(M)

Maximum Projection (M)

৪ মিঃ এর কম

৪ মিঃ থেকে ৫ মিঃ

৫ মিঃ এর বেশী

প্রজেকশন থাকবে না

০.৩ মিঃ

০.৬ মিঃ

লাইনের ভোল্টেজ

উলম্ব দূরত্ব (মিঃ)

আনুভূমিক দূরত্ব (মিঃ)

নিম্ন ও মাঝারিমানের ভোল্ট

৩৩ কেভি

৩৩ কেভি এর অতিরিক্ত

২.২

৩.৫

প্রতি অতিরিক্ত ৩৩ কেভি

ভোল্ট এর জন্য ৩.৫ মিঃ

এর সঙ্গে অতিরিক্ত

০.৩ মিঃ যোগ হবে।

১.২৫

১.৭৫

প্রতি অতিরিক্ত ৩৩ কেভি

ভোল্ট এর জন্য ১.৭৫ মিঃ

এর সঙ্গে অতিরিক্ত

০.৩ মিঃ যোগ হবে।

N)������� বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনে অনুমতি প্রাপ্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের করণীয়ঃ-

(১) বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের খুঁটি এসএস/জিআই/এম এস পাইপের হওয়া বাঞ্চনীয়। এম এস এঙ্গেল এর ব্যবহার বর্জনীয়।

(২) বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের খুঁটি গুলো দৃষ্টিনন্দনের জন্য এসএস পাইপ এর হতে হবে অথবা জিআই ও এমএস পাইপের খুঁটি এস এস সিট দ্বারা আবৃত থাকবে অথবা প্রতি বছর ১-১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এ্যানামেল রং করে দিতে হবে।

(৩) বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের স্থান ল্যান্ড স্কেপিং এর মাধ্যমে বিউটিফিকেশন করে দিতে হবে। ল্যান্ড স্কেপিং নকশা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

(৪) বিজ্ঞাপনী ফলকটি সর্বাধুনিক দৃষ্টি নন্দন ও দূর্ঘটনার ঝুঁকিমুক্ত হতে হবে।

(৫) বৈদ্যুতিক সরবরাহ লাইনের উপরে বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনার নিকটে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে Bangladesh National Building Code (BNBC) অনুসরণে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করতে হবে।

(৬) বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের ক্ষেত্রে Bangladesh National Building Code (BNBC) অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

(৭) ফুটপাতের উপরে কোন বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করা যাবে না। তবে ফুটপাতের বহিঃপার্শ্বে ঘেষে দৃষ্টিনন্দন ল্যান্ড স্কেপিং করে বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপন করা যাবে।

(৮) কোন অফিসিয়াল বা ট্রাফিক সাইনকে আড়াল করে বিজ্ঞাপণী ফলক স্থাপন করা যাবে না।

(৯) সড়কের মিডিয়ানের প্রশস্থ ১ (এক) মিটারের কম এর ক্ষেত্রে কোন বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করা যাবে না।

(১০) একই ভবনের একাদিক দোকান/ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনের বিজ্ঞাপনী ফলক একই সমতলে এবং একই উচ্চতা বিশিষ্ট হতে হবে।

(১১) বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের ক্ষেত্রে ওয়েল্ডিংসহ প্রকৌশলগত নিশ্চয়তার জন্য অভিজ্ঞ প্রকৌশলী/প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান আবেদনকারী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের সহিত সম্পৃক্ত আছে মর্মে নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে অর্থাৎ প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন হবে।

(১২) হাসপাতাল, সরকারী অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মন্দির, মসজিদ, চার্ট, যাদুঘর, জাতীয় এবং ঐতিহাসিক গুরত্ব বহনকারী ভবন পূর্ণভাবে আড়াল করে এমন ভাবে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করা যাবে না।

(১৩) বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের অনুমতি /অনুমোদন প্রাপ্ত ব্যাক্তি/ প্রতিষ্ঠান ফলক স্থাপনের পর ফলকের নীচে কম পক্ষে ০.২৫ বর্গ মিটার সাইজের নাম ফলক স্থাপন করবেন। যাতে-

-বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনকারী ব্যক্তি / প্রতিষ্ঠানের নাম।

-ডিএনসিসি অনুমোদনের স্মারক নং ও তারিখ।

-ডিএনসিসি অনুমোদনের মেয়াদ স্পষ্ট উলেস্নখ থাকতে হবে।

(১৪) কর্তৃপক্ষের চূড়ামত্ম অনুমোদন প্রাপ্তির পূর্বে কোন প্রকার বিজ্ঞাপনী ফলক/স্থাপনা স্থাপন পূর্বক উক্ত বিজ্ঞাপনী ফলক/স্থাপনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানের নাম, আবেদনের তারিখ, অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে ইত্যাদি লেখা তথা উক্ত বিজ্ঞাপনী ফলক/স্থাপনা সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রম অবৈধ কার্যক্রম বলে পরিগণিত হবে।

O)��� সংরক্ষিত সাইন এলাকাঃ-

১) কর্তৃপক্ষ জনকল্যাণের স্বার্থ যেকোন এলাকাকে সংরক্ষিত সাইন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করতে পারে।

২) সংরক্ষিত সাইন এলাকায় সাইন প্রর্দশন নিষিদ্ধ। তবে প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে, বিশেষ ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে শুধুমাত্র বিশেষায়িত (Classified) সাইন স্থাপন করা যেতে পারে।

৩) কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে উল্লেখিত নিয়মের সময় সময় পরিবর্তন বা সংযোজন বা বিয়োজন করতে পারবে।

৪) সংরক্ষিত সাইন এলাকায় সাইনের সীমাবদ্ধতা সংশিস্নষ্ট এলাকার বাইরে ১০মি. পর্যমত্ম কার্যকর হতে পারে।

৫) সংরক্ষিত সাইন এলাকা এনেক্স- ৪ দ্রষ্টব্য

১১। নগর সৌন্দর্যবর্ধন/নাগরিক সুবিধা প্রদান/বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের ক্ষেত্রে শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-

����������� ক)����� সড়ক/সড়কদ্বীপ সৌন্দর্যবর্ধনের শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-

(১)���� পেশাদার ল্যান্ডস্কেপ স্থপতি দ্বারা নকশা প্রণয়ন করতে হবে। সেই সাথে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নক্সা/ম্যানুয়াল/দিক নির্দেশনা অনুযায়ী সৌন্দর্য বর্ধনের যাবতীয় কাজ বাস্তবায়ন করা যাবে।

(২)���� পত্র জারীর তারিখ হতে ৩ (তিন) মাসের মধ্যে বর্ণিত স্থান সৌন্দর্যবর্ধনের যাবতীয় কাজ সমাধা করতে হবে।

(৩)���� পত্র জারীর তারিখ হতে সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর সময়ের জন্য বর্ণিত স্থানের সৌন্দর্যবর্ধনের অনুমতি দেয়া যেতে পারে। পরবর্তীতে আবেদনের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে নবায়ন করা যেতে পারে।

(৪)���� বর্ণিত স্থানের মালিকানা স্বত্ত্ব দাবি করা যাবে না।

(৫)���� বর্ণিত স্থানে অ-অনুমোদিত স্থায়ী/অস্থায়ী কোন স্থাপনা, বিজ্ঞাপনী সাইনবোর্ড ইত্যাদি স্থাপন করা যাবে না।

(৬)���� বর্ণিত স্থানে অ-অনুমোদিত স্থায়ী/অস্থায়ী কোন স্থাপনা, বিজ্ঞাপনী সাইনবোর্ড ইত্যাদি স্থাপন করিলে তাহা দ্রম্নত উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং অনুমোদন পত্র বাতিল করে অন্য সংস্থাকে বর্ণিত স্থানে কাজ করার অনুমতি দেয়া যাবে।

(৭)���� সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পূর্ন ভাবে সমাপ্তির পর বরাদ্ধকৃত স্থানে বরাদ্ধকৃত প্রতিষ্ঠান বা তাদের স্পন্সারকারী প্রতিষ্ঠানের সবেবার্চ ৩ (তিন)টি অনুমোদিত সৌন্দর্য বর্ধন মূলক বিজ্ঞাপনী সাইনবোর্ড/বিলবোর্ড ইত্যাদি স্থাপন করিতে পারবেন। তবে সাইন বোর্ডের আকার আকৃতি অবশ্যই ডিএনসিসি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। অথবা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রথম প্রতি ৫০ বর্গ মিটার (কমবেশী) স্থান সৌন্দর্য বর্ধণের জন্য ১ মিটার � ০.৬ মিটার = ০.৬ বর্গমিটার সাইজের ২(দুই)টি বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করতে পারবে। পরবর্তী প্রতি ৫০ বর্গমিটার স্থানের জন্য ১টি করে ০.৬ বর্গমিটার বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করতে পারবে। অথবা

ফোয়ারা / স্কাল্পচার/ ভাষ্কর্য স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রতি ৫০ বর্গমিটার (কমবেশী) বা তার অংশবিশেষ স্থানের সৌন্দর্য বর্ধণের জন্য ০.৬ বর্গ মিটার সাইজের ২টি বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করতে পারবে।

(৮)���� বর্ণিত কার্যক্রমে ডিএনসিসি কোন আর্থিক খরচ বহন করবে না।

(৯)���� ডিএনসিসি প্রদত্ত পত্র প্রাপ্তির পর কাজ শুরু এবং কাজ শেষের তারিখ উল্লেখ পূর্বক সংশ্লিষ্ট সংস্থা পত্র মারফত বিউটিফিকেশন সেলকে অবহিত করবেন।

(১০)���� নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে কাজ সমাধা/সঠিক পরিচর্যায় ব্যর্থ সংস্থাকে ডিএনসিসি প্রদত্ত অনুমোদন পত্র বাতিল করে অন্য আগ্রহী সংস্থাকে কাজ করার অনুমতি দেয়া যেতে পারে।

(১১)���� সৌন্দর্যবর্ধনের স্বার্থে সময়ে সময়ে ডিএনসিসি হতে দেয়া পত্র অনুযায়ী যথাযথভাবে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

(১২)���� জাতীয় দিবসে / বিশেষ বিশেষ দিনে সৌন্দর্যকরন স্থান সজ্জিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে জন উদ্বুদ্ধকরণ সংক্রান্ত সরকারী কোন প্রচারণায় সৌন্দর্যবর্ধন স্থানে সাময়িকভাবে ব্যানার / ফেস্টুন ইত্যাদি লাগানোর ক্ষেত্রে ডিএনসিসি সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে অনুমতি দিতে পারবে।

(১৩)���� সাধারণ ক্ষতিগ্রস্থ স্থান/দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ স্থান দ্রম্নত মেরামত করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

(১৪)�������� ডিএনসিসি কর্তৃক উন্নয়নমূলক কাজ করার সময় সৌন্দর্যবর্ধন কাজের অংশ ক্ষতিসাধিত হলে কোন ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে না।

(১৫)���� ডিএনসিসি’র স্বার্থ পরিপন্থী/নীতি বহির্ভুত কোন কাজ পরিলক্ষিত হলে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ সেই অনুমোদন পত্র বাতিল করতে পারবে।

(১৬)���� স্থান, কাল, সময়, পরিস্থিতি, পরিবেশ বিবেচনায় ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ যে কোন শর্ত পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন, বিয়োজন করতে পারবে।

(১৭)���� সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য ডিএনসিসি’র নির্ধারিত বিভাগ/শাখা হতে আবেদন ফরম গ্রহণপূর্বক তা পূরণসহ ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজ পত্রাদিসহ নির্ধারিত বিভাগ/শাখায় জমা দিতে হবে। আবেদন ফরমের নমুনা এনেক্স-৩ দ্রষ্টব্য।

খ) ফুটওভার ব্রীজ সৌন্দর্যবর্ধনের শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-

(১)��� অনুমতি পত্র ইস্যূর তারিখ হতে সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছরের জন্যে ব্রীজের সৌন্দর্যবর্ধন ও যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এই অনুমতি প্রদান করা যাবে।

(২)��� পাঁচ বছর মেয়াদান্তে আলোচনা সাপেক্ষে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে পরবর্তী নির্ধারিত সময়ের জন্যে অনুমতি পত্র নবায়ন করা যেতে পারে।

(৩)��� ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃক অনুমোদিত নক্সা/ দিক নির্দেশনা অনুযায়ী আধুনিক প্রযুক্তির নির্মাণ সামগ্রী দ্বারা দৃষ্টিনন্দন ছাউনি নির্মাণসহ ব্রীজের যাবতীয় সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ বাস্তবায়ন করতে হবে।

(৪)��� ফুটওভার ব্রীজে দৃষ্টিনন্দন লাইট ফিটিংসের মাধ্যমে রাতের বেলা সিঁড়িসহ ব্রীজ আলোকিত রাখতে হবে।

(৫)��� অনুমতি প্রদানের ২ (দুই) মাসের মধ্যে অনুমোদিত নক্সা অনুযায়ী ব্রীজের সৌন্দর্যবর্ধনের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

(৬)��� ফুটওভার ব্রীজ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে ও ধর্মীয় উৎসবে দিবসসমূহের মূল থিমের সাথে সঙ্গতি রেখে সজ্জিত করতে হবে। বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধান/ সরকার প্রধানগণের আগমনে এবং আমত্মর্জাতিক সম্মেলনের সময় সিটি করপোরেশনের চাহিদা অনুযায়ী সজ্জিত করতে হবে।

(৭)��� ঢাকা সিটি করপোরেশনের বিজ্ঞাপন নীতিমালা অনুযায়ী অনুমোদিত ডিজাইন ও নির্ধারিত স্থানের অনুমোদনক্রমে ফুটওভার ব্রীজে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করা যাবে এবং ডিএনসিসি‘র প্রচলিত হারে নিয়মিতভাবে বিজ্ঞাপন কর পরিশোধ করতে হবে।

(৮)��� পথচারী চলাচল বিঘ্নিত না করে - জনস্বার্থে ব্রীজের যে কোন অংশে বা ব্রীজের সিঁড়ির নীচে যুক্তিযুক্ত জনকল্যাণমূলক যে কোন কাজ অথবা ব্রীজের সিঁড়ির নীচে দৃষ্টি নন্দন টয়লেট/ এটি এম বুথ বা অন্য যে কোন কাজের জন্য যে কোন ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানকে ডিএনসিসি সাময়িক অনুমতি দিতে পারে। তাছাড়া জাতীয় দিবসে/বিশেষ দিনে/ বিশেষ সপ্তাহ বা পক্ষ উপলক্ষে/ রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে সাময়িক ভাবে ব্রীজের উপর ব্যানার লাগাতে পারবে।

(৯)��� বিজ্ঞাপনী ফলকে আপত্তিকর কোন রেখা বা ছবি বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে - এমন কোন বক্তব্য লিপিবদ্ধ করা যাবে না।

(১০)��� অনুমতি পত্র প্রদানের তারিখ হতে ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে বিজ্ঞাপন কর পরিশোধ করতে হবে এবং প্রতি এক বছর পর পর মেয়াদপূর্তির ১৫ (পনের) দিন পূর্বে পরবর্তী বছরের বিজ্ঞাপন কর পরিশোধ করতে হবে।

(১১)��� ব্রীজ আলোকিতকরণসহ বিজ্ঞাপনী কাজে ব্যবহৃত যাবতীয় বিদ্যুৎ বিল বরাদ্দ প্রাপ্ত সংস্থাকে পরিশোধ করতে হবে।

(১২)��� কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিরেকে ফুটওভার ব্রীজে স্থায়ী/ অস্থায়ী কোন স্থাপনা, বিজ্ঞাপনী সাইনবোর্ড ইত্যাদি স্থাপন করা যাবে না।

(১৩)��� প্রতি বছর ১ হতে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ব্রীজটি প্রয়োজনীয় অংশ রং করতে হবে। সম্পূর্ণ ব্রীজটি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত (নকশায়) কালারের এ্যানামেইল পেইন্টের রং করতে হবে।

(১৪)��� শীলা বৃষ্টি ও অন্যান্য ছোট আঘাত প্রতিরোধ করার জন্য কমপক্ষে ৩(তিন) মিঃ মিঃ পুরম্ন পলিকার্বন সীট দেয়া প্রয়োজন। পলিকার্বন সীট এমনভাবে অর্ধগোলাকার করতে হবে যেন উপর থেকে ৩০ ডিগ্রী কোণে রোদ/ বৃষ্টি হলে ব্রীজের মাঝখান দিয়ে চলাচলকারী পথচারীদের সমস্যা না হয়।

(১৫)��� ছাউনির ক্ষেত্রে - পলিকার্বণের রং আকাশি বা হালকা এ্যাশ কালার হলে দৃষ্টি নন্দন হবে। তবে উক্ত মেটেরিয়াল লাগানোর আগে উহা অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষকে স্যাম্পল দেখিয়ে নিতে হবে।

(১৬)��� ছাউনির ক্ষেত্রে - ২ইঞ্চি ব্যাসের এস এস পাইপ (উহার ভিতর এম এস পাইপ) ঝালাই এবং পলিকার্বণ সীট Bangladesh National Building Code (BNBC) অনুসরণ করে স্থাপন করতে হবে। যাতে নতুন স্থাপনার ভার পুরাতন ফাউন্ডেশন বহন করতে পারে এবং ঝড়- বৃষ্টি- শিলা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রাখে।

(17)��� সড়কদ্বীপে ওভারব্রীজের কনক্রিট কলামটি দৃষ্টিনন্দিত উপায়ে ম্যুরাল কিংবা টাইলস্ দ্বারা আবৃত করতে হবে।

(18)��� ব্রীজের পাটাতন/ সিঁড়ি/ সিঁড়ির ধাপ/ সিঁড়ি সংলগ্ন ফুটপাত ইত্যাদি জন চলাচলের সুবিধার্থে সাধারণ মেরামত কাজ যথাসময়ে সমাধা করতে হবে।

(১৯)��� ব্রীজের নিরাপত্তার জন্যে সার্বক্ষনিক প্রয়োজনীয় সংখ্যক নিরাপত্তা কর্মী নিয়োজিত রাখতে হবে।

(২০)��� অনুমতি পত্র বাতিল হলে অথবা মেয়াদ শেষে ব্রীজের ছাউনি সহ বিজ্ঞাপনী ফলক ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে সরিয়ে নিতে হবে। নির্ধারিত ১৫(পনের) দিন পর ছাউনি ও বিজ্ঞাপনী বোর্ড / ফলক ডিএনসিসি’র সম্পদ বলে পরিগণিত হবে। ����

(২১)��� ব্রীজের উপর হকার, ভবঘুরে, বখাটে, ভিক্ষুকের উপস্থিতি বন্ধের নিশ্চিয়তা বিধান করতে হবে।

(২২)��� ব্রীজে কোন অবস্থাতেই বহিরাগত দ্বারা পোস্টার, লিফলেট, দেয়াল লিখন, ব্যানার ও ফেস্টুন ইত্যাদি স্থাপন করতে দেয়া যাবে না এবং নিয়মিতভাবে ফুটওভার ব্রীজ পরিস্কার- পরিচছন্ন রাখতে হবে।

(২৩)��� ফুটওভার ব্রীজের কোন ধরনের স্বত্ত্ব দাবি করা যাবে না।

(২৪)��� ডিএনসিসি প্রদত্ত অনুমতি পত্র প্রাপ্তির পর কাজ শুরু এবং কাজ শেষের তারিখ উল্লেখ পূর্বক সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক পত্র মারফত ডিএনসিসিকে অবহিত করতে হবে।

(২৫)��� ডিএনসিসি‘র স্বার্থ পরিপন্থী/ নীতি বহির্ভূত কোন কাজ পরিলক্ষিত হলে ডিএনসিসি উক্ত অনুমতি পত্র বাতিল করতে পারবে।

(২৬)��� কোন অবস্থাতেই ফুটওভার ব্রীজের কোন অংশ অন্যকোন উদ্দেশ্যে কাউকে ভাড়া বা সাব-লীজ দেয়া যাবে না।

(২৭)��� ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ যে কোন সময় ব্রীজের সৌদর্যবর্ধন কার্যাবলী পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করতে পারবে।

(২৮)��� ফুটওভার ব্রীজটির সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণের স্বার্থে ১ হতে ২৭ নং ক্রমিকে বর্ণিত শর্তাবলী ছাড়াও ডিএনসিসি যে কোন সময় যে কোন শর্তারোপ করতে পারবে।

(২৯)��� এ শর্তাবলীর ক্রমিক নং- ১ হতে ২৮ পর্যন্ত বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে কোনরম্নপ অস্পষ্টতা বা অসামঞ্জস্যতা দেখা দিলে- সেক্ষেত্রে ডিএনসিসি‘র সিদ্ধামত্ম চূড়ামত্ম বলে গণ্য হবে।

(৩০)��� স্থান, কাল, সময়, পরিস্থিতি, পরিবেশ বিবেচনায় ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ যে কোন শর্ত পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন বিয়োজন করতে পারবে।

গ) ফ্লাইওভার সৌন্দর্যবর্ধনের শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-

(১)����������� অনুমতি পত্র ইস্যূর তারিখ হতে সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছরের জন্যে ফ্লাইওভারের সৌন্দর্যবর্ধন ও যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণের জন্যে এই অনুমতি প্রদান করা যাবে।

(২)���������� পাঁচ বছর মেয়াদান্তে আলোচনা সাপেক্ষে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে পরবর্তী নির্ধারিত সময়ের জন্যে অনুমতি পত্র নবায়ন করা যেতে পারে।

(৩) ��������� ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃক অনুমোদিত নক্সা/ দিক নির্দেশনা অনুযায়ী ফ্লাইওভারের যাবতীয় সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ বাস্তবায়ন করতে হবে।

(৪) ���������� ফ্লাইওভারের নীচে দৃষ্টিনন্দন লাইট ফিটিংসের মাধ্যমে রাতের বেলা আলোকিত রাখতে হবে।

(৫)���������� অনুমতি প্রদানের ২ (দুই) মাসের মধ্যে অনুমোদিত নক্সা অনুযায়ী ফ্লাইওভার ব্রীজের নীচে সৌন্দর্যবর্ধনের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

(৬) ��������� ফ্লাইওভারের বিভিন্ন জাতীয় দিবসে ও ধর্মীয় উৎসবে জাতীয় দিবসসমূহের মূল থিমের সাথে সঙ্গতি রেখে সজ্জিত করতে হবে। বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধান/ সরকার প্রধানদের আগমনে এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সময় সিটি করপোরেশনের চাহিদা অনুযায়ী সজ্জিত করতে হবে।

(৭)���������� ঢাকা সিটি করপোরেশনের বিজ্ঞাপন নীতিমালা অনুযায়ী অনুমোদনক্রমে ফ্লাইওভারের নীচে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করা যাবে এবং ডিএনসিসি‘র প্রচলিত হারে নিয়মিতভাবে বিজ্ঞাপন কর পরিশোধ করতে হবে।

(৮) ��������� ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃক অনুমোদিত ডিজাইন অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করা যাবে।

(৯) ��������� বিজ্ঞাপনী ফলকে আপত্তিকর কোন রেখা বা ছবি বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন কোন বক্তব্য লিপিবদ্ধ করা যাবে না।

(১০) �������� অনুমতি পত্র প্রদানের তারিখ হতে ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে বিজ্ঞাপন কর পরিশোধ করতে হবে এবং প্রতি এক বছর পর পর মেয়াদপূর্তির ১৫ (পনের) দিন পূর্বে পরবর্তী বছরের বিজ্ঞাপন কর পরিশোধ করতে হবে।

(১১) �������� ফ্লাইওভারের নীচে আলোকিতকরণসহ বিজ্ঞাপনী কাজে ব্যবহৃত যাবতীয় বিদ্যুৎ বিল বরাদ্দ প্রাপ্ত সংস্থাকে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগে পরিশোধ করতে হবে।

(১২) �������� কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিরেকে ফ্লাইওভারে স্থায়ী/ অস্থায়ী কোন স্থাপনা, বিজ্ঞাপনী সাইনবোর্ড ইত্যাদি স্থাপন করা যাবে না।

(১৩)�������� ফ্লাইওভারের নীচের ব্লকে / মিডিয়ানের দেয়ালে সাদা-কালো রং করতে হবে।

(১৪)��������� প্রতি বছর ১ হতে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ফ্লাইওভারের নীচে প্রয়োজনীয় অংশ রং করতে হবে।

(১৫)��������� ফ্লাইওভারের কোন অংশে দেয়াল লিখা যাবে না। দেয়াল লিখা স্থানগুলো নিয়মিত ঘঁষে পরিস্কার করতে হবে।

(১৬)�������� ফ্লাইওভারের নীচে খোলা জায়গায় / কলামে ডিএনসিসি অনুমোদিত দৃষ্টিনন্দন ম্যূরাল / ঝর্ণা/ ভাস্কর্য স্থাপন করা যেতে পারে।

(১৭) �������� নিয়মিতভাবে ফ্লাইওভারের উপর ও নীচের অংশ পরিস্কার পরিচছন্ন রাখতে হবে।

(১৮)�������� ফ্লাইওভারের কোন অবস্থাতেই বহিরাগত দ্বারা পোস্টার, লিফলেট, দেয়াল লিখন, ব্যানার ও ফেস্টুন ইত্যাদি স্থাপন করতে দেয়া যাবে না।

(১৯)��������� ফ্লাইওভারের কোন ধরনের স্বত্ত্ব দাবি করা যাবে না।

(২০) ������� ডিএনসিসি প্রদত্ত অনুমতি পত্র প্রাপ্তির পর কাজ শুরম্ন এবং কাজ শেষের তারিখ উল্লেখ পূর্বক সংশ্লিষ্ট সংস্থা পত্র মারফত ডিএনসিসিকে অবহিত করবে।

(২১)��������� ডিএনসিসি‘র স্বার্থ পরিপন্থী/ নীতি বহির্ভূত কোন কাজ পরিলক্ষিত হলে ডিএনসিসি প্রদত্ত অনুমতি পত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

(২২)�������� কোন অবস্থাতেই ফ্লাইওভার ব্রীজের কোন অংশ অন্যকোন উদ্দেশ্যে কাউকে ভাড়া বা সাব-লীজ দেয়া যাবে না।

(২৩)�������� ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ যে কোন সময় ফ্লাইওভার ব্রীজের সৌদর্যবর্ধন কার্যাবলী পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করতে পারবে।

(২৪)��������� ফ্লাইওভারের সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণের স্বার্থে ১ হতে ২৩ নং ক্রমিকে বর্ণিত শর্তাবলী ছাড়াও ডিএনসিসি যে কোন সময় যে কোন শর্তারোপ করতে পারবে।

(২৫) ���� এ শর্তাবলীর ক্রমিক নং- ১ হতে ২৪ পর্যমত্ম বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে কোনরূপ অস্পষ্টতা বা অসামঞ্জস্যতা দেখা দিলে- সেক্ষেত্রে ডিএনসিসি‘র সিদ্ধামত্ম চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ঘ) ট্রাফিক ক্যানপি সৌন্দর্যবর্ধনের শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-

(১)������� ট্রাফিক ক্যানপি মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের পদ্ধতি সম্পূর্ণরূপে অনুমোদিত নকশানুযায়ী কারিগরি মানসম্পন্ন হতে হবে। ক্যানপিগুলো অবশ্যই সর্বাধুনিক, দৃষ্টিনন্দন হতে হবে।

(২)���������� ট্রাফিক ক্যানপি মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের পদ্ধতির ত্রুটির জন্য যে কোন দূর্ঘটনা ঘটলে তার দায়-দায়িত্ব অনুমতি প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের উপর বর্তাবে।

(৩)���� �� প্রয়োজনীয় স্থাপত্য নকশা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে এবং নকশা অনুযায়ী কাজ হওয়ার সনদপত্র নিতে হবে।

(৪)����� �� অনুমতি পত্র প্রাপ্তির ৩ (তিন) মাসের মধ্যে ডিএনসিসি অনুমোদিত নক্সা মোতাবেক ট্রাফিক ক্যানপি মেরামত ও

���������� সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সমাধা করতে হবে।

(৫)���� �� অনুমতি পত্রে উল্লেখিত স্থানের ট্রাফিক ক্যানপিগুলো মেরামত ও সৌন্দর্যবর্ধন করতে হবে।

(6)ট্রাফিক ক্যানপি মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের মেয়াদ অনুমতি প্রদানের তারিখ হতে পরবর্তী ৪ (চার) বছরের জন্য হতে পারে।

(৭)���� ���� ট্রাফিক ক্যানপির গায়ে সৌন্দর্যবর্ধনের স্বার্থে বিজ্ঞাপনী ফলক লাগানো যাবে। এক্ষেত্রে-

ক) অনুমতি প্রাপ্ত সংস্থা সর্বাধুনিক বিজ্ঞাপন ব্যবহার করবেন।

����������� � খ) বিজ্ঞাপন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডিএনসিসি’র প্রচলিত নিয়মানুযায়ী বিজ্ঞাপনী মডেল টাক্স পরিশোধ করতে হবে।

(৮)���� ���� বিজ্ঞাপনী ফলকে আপত্তিকর কোন লেখা বা ছবি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা কোন মমত্মব্য লিপিবদ্ধ করা যাবে না।

(৯)���������� বৈদ্যুতিক লাইন সংযোগের মাধ্যমে ট্রাফিক ক্যানপি আলোকিত করতে হবে। এ কাজে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক লাইন সংযোগের ফি ও বিদ্যুৎ বিল বরাদ্ধ প্রাপ্ত সংস্থাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে।

(১০)��������� ট্রাফিক ক্যানপিতে কোন অবস্থাতেই পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুন ইত্যাদি স্থাপন করা যাবে না বা কাউকে স্থাপন করতে দেয়া যাবে না।

(১১)��������� বিভিন্ন জাতীয় দিবসগুলোতে ট্রাফিক ক্যানপি প্রয়োজনীয় রং করে দৃষ্টিনন্দন করতে হবে এবং লাইটিং করে উৎসব মুখর পরিবেশ তৈরী করতে হবে।

(১২)�������� সড়ক উন্নয়ন কাজের সময় বা দূর্ঘটনার কারনে ট্রাফিক ক্যানপির ক্ষতি সাধন হলে ডিএনসিসি’র নিকট ক্ষতিপূরণ দাবী করা যাবে না।

(১৩)�������� অনুমতি দেয়া ট্রাফিক ক্যানপির প্রয়োজনীয়তা লোভ পেলে সেক্ষেত্রে ডিএনসিসি কর্তৃক ট্রাফিক ক্যানপি অপসারণ করলে ডিএনসিসি’র নিকট ক্ষতিপূরণ দাবী করা যাবে না।��

(১৪)��������� জনস্বার্থে ডিএনসিসি’র স্বার্থ পরিপন্থী/নীতি বহির্ভুত কোন কাজ পরিলক্ষিত হলে ডিএনসিসি প্রদত্ত অনুমতি পত্র বাতিল করতে পারে।

(১৫)��������� শর্তাবলীর ক্রমিক১ হতে ১৪ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনরূপ অস্পষ্টতা বা অসামঞ্জস্য থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ক্রমে শর্তাবলীর ঐ অংশের পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা যাবে।

(১৬)���� �� স্থান, কাল, সময়, পরিস্থিতি, পরিবেশ বিবেচনায় ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ যে কোন শর্ত পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন বিয়োজন করতে পারবে।

(১৭)���� সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য ডিএনসিসি’র নির্ধারিত বিভাগ/শাখা হতে আবেদন ফরম গ্রহণপূর্বক তা পূরণসহ ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজ পত্রাদিসহ নির্ধারিত বিভাগ/শাখায় জমা দিতে হবে। আবেদন ফরমের নমুনা এনেক্স-৩ দ্রষ্টব্য।

ঙ)�� মোবাইল টয়লেট/ ফুটওভার ব্রীজের নীচে টয়লেট স্থাপনের শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-

(১)��� ফুটওভার ব্রীজের সিঁড়ির নীচে তৈরী টয়লেটের কাঠামো ও নির্মাণ পদ্ধতি সম্পূর্ণ রূপে কারিগরি মানসম্পন্ন হতে হবে। টয়লেট অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত ও দৃষ্টিনন্দন হতে হবে।

(২)��� অনুমতি পত্র প্রাপ্তির ৩ (তিন) মাসের মধ্যে টয়লেট তৈরীর কাজ সমাধা করতে হবে।

(৩)��� টয়লেটের কাঠামো ও নির্মাণ পদ্ধতির ত্রুটির জন্য যে কোন দূর্ঘটনা ঘটলে তার দায়-দায়িত্ব অনুমতি প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের উপর

বর্তাবে।

(৪)��� অনুমতি পত্রে উল্লেখিত ফুটওভার ব্রীজের সিঁড়ির নীচে টয়লেট স্থাপন করতে হবে। স্থাপনের সময় ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষের স্থাপত্য ও প্রকৌশলগত নকশার অনুমোদন নিতে হবে এবং কাজ শেষে নকশানুযায়ী কাজ সমাপ্তির সনদপত্র নিতে হবে।

(৫)��� প্রতিটি টয়লেটের পার্শ্বে একটি মাত্র এটিএম বুথ রাখা যেতে পারে।

(৬)��� টয়লেট এমন ভাবে স্থাপন করতে হবে যেন ফুটপাতে জনচলাচলে বিঘœ না ঘটে।

(৭)��� টয়লেট স্থাপনের অনুমতি প্রদানের তারিখ হতে পরবর্তী ৪ (চার) বছরের জন্য এ অনুমতি পত্র বলবৎ থাকতে পারে।

(৮)��� টয়লেট ব্যবহারকারীগণের নিকট থেকে ফি আদায়-

�������� ক)�������� প্রস্রাবের জন্য ব্যবহারকারীগণের নিকট থেকে প্রতিবারের জন্য ১ (এক) টাকা হিসাবে ফি আদায় করা যাবে।

�������� খ)�������� পায়খানার জন্য ব্যবহারকারীগণের নিকট থেকে প্রতিবারের জন্য ২ (দুই) টাকা হিসাবে ফি আদায় করা যাবে।

(৯)��� টয়লেটের গায়ে সৌন্দর্যবর্ধনের স্বার্থে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে- অনুমতি প্রাপ্ত সংস্থা বিজ্ঞাপন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনী মডেল টাক্স মওকুফের সুবিধা পাবেন।

১০)���� বিজ্ঞাপনী ফলকে আপত্তিকর কোন লেখা বা ছবি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করা যাবে না।

(১১)��� পানি ও বৈদ্যুতিক লাইন সংযোগের যাবতীয় ফি এবং পানি ও বিদ্যুৎ বিল বরাদ্ধ প্রাপ্ত সংস্থাকে নিয়মিত সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে পরিশোধ করতে হবে।

(১২)��� টয়লেট অথবা তৎসংলগ্ন এলাকায় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিরেকে স্থায়ী/অস্থায়ী কোন স্থাপনা, বিজ্ঞাপনী সাইনবোর্ড ইত্যাদি স্থাপন কারলে তা দ্রুত উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

(১৩)��� নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষনিক নিরাপত্তা কর্মী নিয়োজিত রাখতে হবে।

(১৪)��� টয়লেটে সু-পেয় অথবা স্বাস্থ্যসম্মত পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং টয়লেটে সার্বক্ষনিক ন্যাপথলিন/সুগন্ধি এয়ার �েপ্র ব্যবহার করতে হবে।

(১৫)��� টয়লেট এবং টয়লেটের আশপাশ সার্বক্ষনিক ভালভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে হবে এবং সম্ভবপর স্থানে ল্যান্ড স্কেপিং এর মাধ্যমে টয়লেটের দু’পার্শ্বে বিউটিফিকেশন করতে হবে।

(১৬)��� টয়লেটের যাবতীয় বর্জ্য অনুমতি প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান নিজ ব্যবস্থাপনায় ও খরচে স্টর্ম সুয়্যারেজ লাইনে সংযোগের ব্যবস্থা করবেন।

(১৭)��� টয়লেটে কোন অবস্থাতেই বহিরাগত দ্বারা পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুন ইত্যাদি স্থাপন করতে দেয়া যাবে না।

(১৮)��� বিভিন্ন জাতীয় দিবসগুলোতে টয়লেট প্রয়োজনীয় অংশ রং করে দৃষ্টিনন্দন করতে হবে।

(১৯)��� জনস্বার্থে অথবা উন্নয়নমূলক কাজে টয়লেটের কোন অংশ অথবা সম্পূর্ণ টয়লেট ভাঙ্গা গেলে/ক্ষতি সাধন হলে ক্ষতিপূরণ দাবি করা করা যাবে না।��

(২০)��� ডিএনসিসি’র স্বার্থ পরিপন্থী/নীতি বহির্ভুত কোন কাজ পরিলক্ষিত হলে ডিএনসিসি প্রদত্ত অনুমতি পত্র বাতিল করা হবে।

(২১)��� শর্তাবলী বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনরূপ অস্পষ্টতা বা অসামঞ্জস্য থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ক্রমে শর্তাবলীর ঐ অংশের পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা যাবে।

চ) পার্ক/সড়ক দ্বীপ সৌন্দর্যবর্ধনের শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-

(১)������� ‘‘পার্ক উন্নয়ন পরামর্শক কমিটি’’ কর্তৃক অনুমোদিত নক্সা /ম্যানুয়াল/দিক নির্দেশনা এবং সৌন্দর্যবর্ধন ও বিজ্ঞাপন নীতিমালা অনুযায়ী সৌন্দর্যবর্ধনের যাবতীয় কাজ বাসত্মবায়ন করা যাবে।

(২)������� সড়ক দ্বীপ ও রাস্তার নিকট ছোট জায়গাসমূহ ‘‘বিউটিফিকেশন সেল’’ কর্তৃক অনুমোদিত নক্সা /ম্যানুয়াল/দিক নির্দেশনা এবং সৌন্দর্যবর্ধন ও বিজ্ঞাপন নীতিমালা অনুযায়ী সৌন্দর্যবর্ধনের যাবতীয় কাজ বাসত্মবায়ন করা যাবে।

(৩)������� কাজের পরিধি অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্ণিত সড়ক দ্বীপের সৌন্দর্যবর্ধনের যাবতীয় কাজ সমাধা করতে হবে।

(৪)������� অনুমতি প্রদানের তারিখ হতে ৫ বছরের জন্য বর্ণিত সড়ক দ্বীপ ও রাসত্মার নিকট ছোট জায়গাসমূহের�������� সৌন্দর্যবর্ধনের অনুমতি দেয়া যেতে পারে। পরবর্তীতে সৌন্দর্যবর্ধনরে মান সমেত্মাষজনক সাপেক্ষে প্রতি ২ (দুই) বৎসর অমত্মর-অমত্মর নবায়ন করা যেতে পারে।

(৫)������� স্থানের মালিকানা স্বত্ব দাবি করা যাবে না।

(৬)������� উল্লেখিত স্থানে অ-অনুমোদিত স্থায়ী/অস্থায়ী কোন স্থাপনা, বিজ্ঞাপনী সাইন বোর্ড ইত্যাদি স্থাপন করা যাবে না।

����������� অ-অনুমোদিত স্থায়ী/অস্থায়ী কোন স্থাপনা, বিজ্ঞাপনী সাইন বোর্ড ইত্যাদি স্থাপন করলে তাহা দ্রম্নত উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং অনুমতিপত্র বাতিল করে অন্য সংস্থাকে বর্ণিত পার্কে কাজ করার অনুমতি দেয়া হবে।

(৭)������� সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পূর্ণ ভাবে সমাপ্তির পর বর্ণিত সড়ক দ্বীপসমূহে প্রতিটি সংস্থা/প্রতিষ্ঠান তাদের নামে বরাদ্দকৃত স্থানে বরাদ্দকৃত প্রতিষ্ঠান বা তাদের স্পন্সরকৃত প্রতিষ্ঠানের সৌন্দর্যবর্ধন মূলক বিজ্ঞাপনী সাইন বোর্ড/বিলবোর্ড ইত্যাদি স্থাপন করতে পারবেন। তবে তার ধরণ, আকার, আকৃতি, সংখ্যা ইত্যাদি অবশ্যই ডিএনসিসি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

(৮)������� স্থানের আয়তনের অনুপাতে বিলবোর্ডের সংখ্যা নিরূপণ করা হতে পারে।

(৯)������� বর্ণিত কার্যক্রমে ডিএনসিসি কোন আর্থিক খরচ বহন করবে না।

(১০)������ ডিএনসিসি প্রদত্ত পত্র প্রাপ্তির পর কাজ শুরম্ন ও শেষের তারিখ উলেস্নখ পূর্বক সংশিস্নষ্ট সংস্থা পত্র মারফত সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।

(১১)������ নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে কাজ সমাধা/সঠিক পরিচর্যায় ব্যর্থ সংস্থাকে ডিএনসিসি প্রদত্ত অনুমোদন বাতিল করে অন্য সংস্থাকে কাজ করার অনুমতি দেয়া যাবে।

(১২)������ ডিএনসিসি’র স্বার্থ পরিপন্থী /নীতি বর্হিভুত কোন কাজ পরিলক্ষিত হলে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ এই অনুমোদন পত্র বাতিল করতে পারবে।

(১৩)����� ডিএনসিসি কর্তৃক উন্নয়নমূলক কাজ করার সময় সৌন্দর্যবর্ধন কাজের অংশ ক্ষতিসাধিত হলে ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে না।

ছ)������ যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/ এটিএম বুথ স্থাপনের শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-

(১)������� উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক দৃষ্টিনন্দন যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথকে অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে। বিসত্মারিত নকশা, পস্ন্যান, এলিভিশন ও পারসপেক্টিভ ভিউ এবং ব্যবহৃতব্য জিনিষপত্রের বিবরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য দাখিল করতে হবে।

(২)������� যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ-এর কাঠামো ও নির্মাণ পদ্ধতি সম্পূর্ণ রূপে কারিগরি মানসম্পন্ন হতে হবে।

(৩)������� যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ-এর কাঠামো ও নির্মাণ পদ্ধতির ত্রুটির জন্য যে কোন দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায়-দায়িত্ব অনুমতি প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের উপর বর্তাবে।

(৪)������� যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ অবশ্যই সর্বাধুনিক দৃষ্টিনন্দন হতে হবে।

(৫)������� প্রতিটি যাত্রীছাউনিতে দৃষ্টিনন্দন লিটারবিন রাখতে হবে, যাতে যাত্রীগণ হাতের উচ্ছিষ্ট কাগজ/ আবর্জনাদি লিটারবিনে ফেলতে পারেন। ছাউনি পরিচ্ছন্নতার স্বার্থে সার্বক্ষণিক পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োজিত রাখতে হবে।

(৬)������� অনুমতি পত্র প্রাপ্তির ৪(চার) মাসের মধ্যে ডিএনসিসি অনুমোদিত নক্সা মোতাবেক যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ তৈরী ও স্থাপন কাজ সমাধা করতে হবে। অন্যথায় অনুমতি পত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

(৭)������� অনুমতি পত্রে উল্লেখিত স্থানে যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ স্থাপন করতে হবে এবং উহা ডিএনসিসি’র সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে। স্থাপন / নির্মাণের সময় ডিএনসিসি’র সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তার উপস্থিতিতে স্থান নির্ধারণসহ জায়গা বুঝাইয়া দেয়া হবে।

(৮)������� রাসত্মায় বা ফুটপাতে জনচলাচলে অসুবিধার সৃষ্টি হবে এমন কোন অবস্থাতেই যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ স্থাপন করা যাবে না।

(৯)������� যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ স্থাপনের অনুমতি প্রদানের তারিখ হতে বাৎসরিক নবায়নের ভিত্তিতে ৫(পাঁচ) বছরের জন্য এ অনুমতি পত্র বলবৎ থাকবে।

(১০)������ যাত্রীছাউনির/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ গায়ে সৌন্দর্যবর্ধনের স্বার্থে ডিএনসিসি’র অনুমোদিত পরিমাপের বিজ্ঞাপনী ফলক লাগানো যাবে।

(১১)������ বিজ্ঞাপনী ফলকে অপত্তিকর কোন লেখা বা ছবি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করা যাবে না।

(১২)������ যাত্রীছাউনির ভিতরে বা আশেপাশে চা দোকান/পান দোকানসহ কোন রূপ দোকান ও বাসের টিকেট কাউন্টার বসানো যাবে না।

(১৩)����� বৈদ্যুতিক লাইন সংযোগসহ যাবতীয় বিল বরাদ্দ প্রাপ্ত সংস্থা সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষকে পরিশোধ করবেন এবং পরিশোধিত বিলের কপি সংশ্লিষ্ট বিভাগে দাখিল করতে হবে।

(১৪)������ যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্রের দু’ পার্শ্বে পিছনের দেয়াল বরাবরে সম্ভাব্য স্থান (কাঁচা অংশ যদি থাকে) বিউটিফিকেশন করতে হবে।

(১৫)����� যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ এবং এর আশপাশ সার্বক্ষণিক ভালোভাবে পরিস্কার- পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে হবে।

(১৬)����� যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ-এ কোন অবস্থাতেই পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুন ইত্যাদি স্থাপন করা যাবে না বা কাউকে স্থাপন করতে দেয়া যাবে না।

(১৭)������ বিভিন্ন বিষয়ে জাতীয় দিবসগুলোতে যাত্রীছাউনি প্রয়োজনীয় রং করে দৃষ্টিনন্দন করতে হবে এবং লাইটিং করে উৎসব মূখর পরিবেশ তৈরী করতে হবে।

(১৮)����� জনস্বার্থে ডিএনসিসি’র স্বার্থপরিপন্থী / নীতি বহির্ভূত কোন কাজ পরিলক্ষিত হলে ডিএনসিসি প্রদত্ত অনুমতি পত্র বাতিল করা হবে।

(১৯)������ যেকোন উন্নয়ন কাজের স্বার্থে ডিএনসিসি যাত্রীছাউনি/সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র/এটিএম বুথ অপসারণ / স্থানামত্মর করতে পারবে।

(২০)����� শর্তবলীর ক্রমিক নং- ১ হতে ১৯ বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে কোনরূপ অস্পষ্টতা বা অসামঞ্জস্য থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে শর্তাবলীর ঐ অংশের পরিবর্তন ও পরিবর্ধণ করা যাবে।���� ��

জ) ���� জাতীয় দিবস / বিশেষ দিন/ বিশেষ পক্ষ / বিশেষ সপ্তাহ/ সরকারী বা বেসরকারী কোন অনুষ্ঠান উপলক্ষে নগর সজ্জিতকরণের শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-

(১) ������ ঢাকা সিটি করপোরেশনের অনুমোদন স্মারকসহ এবং আবেদনকারী সংস্থার নাম ও লগো উলেস্নখ পূর্বক ব্যানার /ফেস্টুন/রোডসাইন/ ভেন্যুম্যাপ/ বড় বেলুন লাগানো যাবে এবং তোরণ নির্মাণ করা যাবে।

(২)������� নির্ধারিত দিনের আগের দিন হতে পরের দিন পর্যমত্ম ব্যানার/ ফেস্টুন/ রোডসাইন/ ভেন্যুম্যাপ/তোরণ প্রদর্শন করা যাবে। পরবর্তীতে সকল ব্যানার/ফেস্টুন/রোডসাইন/ ভেন্যুম্যাপ/ তোরণ ইত্যাদি অপসারণ করতে হবে।

(৩)������� এ কাজে ডিএনসিসি কোন আর্থিক খরচ বহন করবে না।

(৪)������� অস্থায়ী ভাবে লাগানো ব্যানার/ ফেস্টুন/রোডসাইন/ ভেন্যুম্যাপ/ বড় বেলুন ইত্যাদির জন্য নির্ধারিত বিজ্ঞাপনী কর পরিশোধ করতে হবে।

(৫)������� তোরণ নির্মাণ ও প্রদর্শনের জন্য ‘‘সৌজন্য বা ডিএনসিসি’র বিজ্ঞাপনী কর’’-এর বিষয়টি ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত হবে।

(৬)������� অস্থায়ী ভাবে লাগানো ব্যানার/ ফেস্টুন/রোডসাইন/ ভেন্যুম্যাপ/ বড় বেলুন/ তোরণ ইত্যাদি স্থাপন করার সময় সৌন্দর্যবর্ধন কাজের ক্ষতি করা যাবে না এবং যান ও জনচলাচলে কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।

(৭)������ শর্তাবলী যথাযথভাবে অনুসরণে ব্যর্থ হলে অনুমতি পত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

ঝ)����� বৃক্ষ মেলা সংক্রান্ত শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-

(১) ডিএনসিসি’র নির্ধারিত বিভাগ/শাখার নির্দেশনা অনুযায়ী বর্ণিত স্থানের সৌন্দর্যবর্ধন ও ষড়ঋতু বৃক্ষমেলার আয়োজন করা যেতে পারে ।

(২) অনুমতি প্রদানের তারিখ হতে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে মেলা আয়োজনের যাবতীয় কাজ সমাধা করতে হবে।

(৩) অনুমতি পত্র গ্রহণের সময় এক বৎসরের নার্সারী/স্টল ফি (অফেরৎ যোগ্য) ডিএনসিসি তহবিলে পরিশোধ করতে হবে।

(৪) প্রতি বছর যথাসময়ে নার্সারী/ স্টল ফি ডিএনসিসি তহবিলে পরিশোধ করতে হবে।

(৫) কোন নার্সারী / স্টল মালিক ফি পরিশোধে গাফিলতি করলে অথবা যথাসময়ে পরিশোধে ব্যর্থ হলে সকল নার্সারী/ স্টল মালিক অথবা তাদের সমিতি এর দায়-দায়িত্ব বহন করবেন।

(৬) অনুমতি প্রদানের তারিখ হতে ৪ (চার) বৎসরের জন্য অনুমতি পত্র বহাল থাকতে পারে।

(৭) পরবর্তীতে আলোচনা সাপেক্ষে প্রতি বৎসরের জন্য নবায়ন করা যেতে পারে।

(৮) বর্ণিত স্থানের মালিকানা স্বত্ত্ব দাবি করা যাবে না।

(৯) বর্ণিত স্থানে অ-অনুমোদিত স্থায়ী/অস্থায়ী কোন স্থাপনা, বিজ্ঞাপনী সাইনবোর্ড ইত্যাদি স্থাপন করা যাবে না।

(১০) মেলা মাঠের যাবতীয় বিদ্যুৎ বিল ও পানির বিল নার্সারী সমিতি যথাসময়ে সংশিস্নষ্ট সংস্থায় পরিশোধ করিবেন।

(১১) বর্ণিত কার্যক্রমে ডিএনসিসি কোন আর্থিক খরচ বহন করবে না।

(১২) ডিএনসিসি কর্তৃক উন্নয়নমূলক কাজ করার সময় মেলা মাঠের যেকোন অংশ/সম্পূর্ণ অংশ ক্ষতিসাধিত হলে কোন ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে না।

(১৩) ডিএনসিসি যেকোন সময় ৩০ (ত্রিশ) দিনের নোটিশে মেলা উচ্ছেদ করতে পারবে।

(১৪) উচ্ছেদ করা হলে ঐ বছরের জন্য পরিশোধ করা নার্সারী/স্টল ফি ফেরৎ প্রদান করা হবে না।

(১৫) ডিএনসিসি’র স্বার্থ পরিপন্থী/নীতি বহির্ভুত কোন কাজ পরিলক্ষিত হলে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ এই অনুমোদন পত্র বাতিল করতে পারবে।

T)��������� বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা, সড়কের নাম ফলক স্থাপন, পাবলিক টয়লেট স্থাপন, ওয়েস্ট বিন স্থাপন, প্রস্রাব খানা স্থাপন, পোস্টার স্ট্যান্ড স্থাপন, বিশ্রামাগার/ বিশ্রাম সেড স্থাপনের শর্তাবলীঃ-
(১)����� ‘ক’ হতে ‘ঝ’ পর্যন্ত দেয়া বিভিন্ন শর্তের আঙ্গীকে এক্ষেত্রেও ডিএনসিসি কর্তৃক প্রয়োজনীয় শর্ত উল্লেখ পূর্বক আগ্রহী ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিতে পারবে।
১২।���� বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের ক্ষেত্রে শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-

ক) ���� গ্রাউন্ডে স্থাপিত বিলবোর্ড/নিয়ন সাইন বোর্ড/ হোর্ডিং সাইন বোর্ড ইত্যাদি স্থাপনের শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-

����������� (১)������� অনুমতি পত্র ইস্যূর তারিখ হতে ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত অনুমতির মেয়াদ থাকবে।

(২)������� সকল শর্ত পালন সাপেক্ষে পরবর্তী ১ (এক) বছরের জন্য নবায়ন করা যেতে পরে। অনুরূপ বছর বছর নবায়ন করা যেতে পরে।

(৩)������� অনুমতি পত্র ইস্যুর- ১৫ দিনের মধ্যে যাবতীয় বিজ্ঞাপন কর ও জামানত পরিশোধ করতে হবে।

(৪)������� যে নির্ধারিত স্থানের জন্য অনুমতি দেয়া হয়েছে ঐ নির্ধারিত স্থানে ফলক স্থাপন করতে না পারলে তার দায় আবেদনকারীর উপর বর্তাবে। এ জন্য-

ক)������� অন্য স্থানে অনুমতি দিতে কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করা যাবে না।

খ)�������� পরিশোধিত কর রেয়াত/ ফেরৎ দেয়া যাবে না।

গ)�������� সংশিস্নষ্ট এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ফলক উচ্ছেদের আবেদন করা হলে যান ও জন চলাচলের সুবিধা ও প্রযোজ্য অন্যান্য সুবিধাদি বিবেচনায় রেখে তা উচ্ছেদ করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে পরিশোধিত কর রেয়াত/ ফেরৎ দেয়া হবে না বা অন্য স্থানে পুনঃ বরাদ্দের জন্য কর্তৃপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করা যাবে না।

(৫)������� অশস্নীল, কুরম্নচিসম্পন্ন, বিরক্তিকর, অমার্জিত, বীভৎস, আপত্তিকর কার্টুন/ দৃশ্য/ ছবি/ বাণী লেখা, প্রচার বা প্রদর্শন করা যাবে না।

����������� (৬)������� রাষ্ট্র, রাজনৈতিক দল, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তির জন্য হেয়কারী, ভাবমূর্তি বিনষ্টকারী কার্টুন/ দৃশ্য/ ছবি/ বাণী লেখা, প্রদর্শন বা প্রচার করা যাবে না।

(৭)������� কোন ব্যক্তি, গোষ্ঠি, সম্প্রদায়ের ধর্মীয় সামাজিক, সাংস্কৃতিক অনুভূতিতে আঘাত করে এমন কার্টুন/ দৃশ্য/ বাণী লেখা, প্রদর্শন বা প্রচার করা যাবে না।

(৮)������� প্রতিবেশীত্বের বিকৃতি, পবিত্রতা ধ্বংস, জনমতকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করে এরূপ কোন কিছুর উপস্থিতি থাকবে না।

(৯)������� কোন বোর্ডে বড় আকারে টু-লেট লিখে রাখা যাবে না, তবে

ক)���� খালী বোর্ডে জনসচেতনতামূলক বক্তব্য গ্রামীণ চিত্র, দেশীয় ঐতিহ্যের চিত্র, ধর্মীয় বাণী সশর্ত কর্মের নিদের্শনা ইত্যাদি প্রদর্শন পূর্বক নিচে বা উপরে ছোট করে টু-লেট লিখে রাখা যেতে পারে।��

খ)����� বিজ্ঞাপনী ফলকের নীচে ল্যান্ডস্কেপিং এর মাধ্যমে সৌন্দর্যবর্ধন করতে হবে।

(১০)������ ফলক স্থাপনের সময় কোন অফিসিয়াল ট্রাফিক সাইনকে আড়াল করা যাবে না।

(১১)������ রাস্তার মোড়, ইন্টারসেকশন এ ফলক স্থপনের সময় যানবাহন চলাচল ও পর্যবেক্ষণ বাধাগ্রস্থ হয় এমনভাবে স্থাপন করা যাবে না।

(১২)������ অনুমোদিত পরিমাপের অধিক পরিমাপের ফলক স্থাপন করা যাবে না।

(১৩)����� যে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য বিজ্ঞাপনী কর পরিশোধ করা হয়েছে ঐ মেয়াদে বা তার আংশিক সময়ে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন না করলে পরিশোধিত বিজ্ঞাপনী কর রেয়াত/ফেরৎ/ সমন্বয় করা হবে না।

(১৪)������ গাড়ীচালক /পথচারীর দৃষ্টি বিঘ্নিত হয় এমনভাবে বিজ্ঞাপনী ফলকে বাতি ব্যবহার করা যাবে না।

(১৫)����� বিজ্ঞাপনী ফলকে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিল যথারীতি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে পরিশোধ করতে হবে।

(১৬)����� একই স্থানে স্থাপিত একাধিক বিজ্ঞাপন ফলক নিম্ন এবং উচ্চ প্রান্ত একই সমতলে থাকতে হবে।

(১৭)������ বিজ্ঞাপন ফলকের উপরে স্ট্রাকচারের কোন দৃশ্যমান অংশ দেখা যাবে না। নীচের স্ট্যান্ড স্টেনলেস ষ্টীলের পাইপ অথবা পাত দ্বারা মোড়ানো থাকবে। ফলক স্থাপনের স্থানটি দৃষ্টিনন্দনভাবে রাখতে হবে।

(১৮)����� বিজ্ঞাপন ফলকের ব্যাক/পিছন সাইডের যাবতীয় এম এস এঙ্গেল/ষ্টীল/ পাইপ ইত্যাদি ফলক লাগানোর সময় এ্যলুমিনিয়াম রং করতে হবে এবং তাছাড়াও প্রতি বছর ১-১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এ্যালুমিনিয়াম রং করতে হবে।

(১৯)������ বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের সময় মজবুত ভাবে স্থাপন করতে হবে। যেকোন দূর্ঘটনার জন্য দায়ভার অনুমতি প্রাপ্ত ব্যক্তি/ সংস্থার উপর বতাবে।

����������� (২০)����� যে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য বিজ্ঞাপনী/মডেল কর পরিশোধ পূর্বক বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের অনুমতি দেয়া/নেয়া হয়েছে সে নির্দিষ্ট মেয়াদে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন না করলে/না করতে পারলে অথবা ফলক উচ্ছেদ করা হলে পরিশোধিত বিজ্ঞাপনী/মডেল কর রেয়াত/ফেরৎ/সমন্বয় করা যাবে না।

  1. L)ছাদে স্থাপিত বিলবোর্ড/নিয়ন সাইন বোর্ড/ হোর্ডিং সাইন বোর্ড ইত্যাদি স্থাপনের শর্তাবলীর রূপরেখাঃ-
  2. (1)ছাদে স্থাপনের ক্ষেত্রে ভবন মালিক/ কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র প্রয়োজন হবে।
  3. (2)বাতাস চলাচলের জন্য স্ট্রিপসাইন লাগাতে হবে।
  4. (3)‘ক’ ক্রমিকে বর্ণিত শর্তবলীর আঙ্গীকে অনুমতি পত্রে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী উল্লেখ করতে হবে।

১৩।���� বিজ্ঞাপনী ফি/ বিজ্ঞাপনী কর/মডেল ট্যাক্স/জরিমানাঃ-

�����������

  1. K)প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কর প্রদানঃ-

(১)����� ঢাকা মহানগরীর যেকোন সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা, বেসরকারী, ব্যক্তিমালিকানাধীন স্থানে/ভবনে স্থায়ী/অস্থায়ী বিজ্ঞাপনী ফলক/সপ সাইন/ব্যানার/ফেস্টুন/পোস্টার/ অন্য যেকোন ভাবে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন বা স্থাপনের পূর্বে ডিএনসিসি’র অনুমতি প্রয়োজন হবে এবং এক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনী কর/মডেল ট্যাক্স প্রদান করতে হবে।��

(২)������� ঢাকা সিটি করপোরেশনের নিজস্ব জায়গায়/ রাস্তায়/ ফুটপাতে/ ভবনের ছাদে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের জন্য বিজ্ঞাপনী কর প্রদান করা প্রযোজ্য হবে।

  1. (4)ঢাকা সিটি করপোরেশনের নিজস্ব জায়গা/ রাস্তা/ ফুটপাত/ ভবনের ছাদ ব্যতীত অন্য যে কোন স্থানে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের জন্য বিজ্ঞাপন প্রদর্শন কর / মডেল ট্যাক্স প্রদান করা প্রযোজ্য হবে।

�����������

(খ)����� সৌন্দর্যবর্ধন/ নগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রেঃ-

১)�������� সৌন্দর্যবর্ধনের অনুমতি প্রাপ্ত স্থানে সৌন্দর্যবর্ধন ক্ষেত্রে অনুমতি প্রাপ্ত সংস্থা বা সহযোগী সংস্থা বা স্পন্সর প্রদানকারী সংস্থা প্রথম প্রতি ৫০ বর্গ মিটার (কমবেশী) স্থানের জন্য ০.৬ বর্গ মিটার সাইজের ২ (দুই)টি এবং পরবর্তী প্রতি ৫০ বর্গমিটার বা তার অংশ বিশেষের জন্য ১ (এক)টি করে ০.৬ বর্গমিটার সাইজের বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করতে পারবে অপর দিকে ফোয়ারা/ভাস্কর্য/ম্যুরাল ইত্যাদি স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রথম প্রতি ৫০ বর্গ মিটার স্থানের জন্য ০.৬ বর্গ মিটার সাইজের ২ (দুই)টি এবং পরবর্তী প্রতি ৫০ বর্গমিটার বা তার অংশ বিশেষের জন্য ১ (এক)টি করে ০.৬ বর্গমিটার সাইজের বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করতে পারবে।

২)�������� উক্ত ০.৬ বর্গ মিটার সাইজের বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের ক্ষেত্রে অনুমতি প্রাপ্ত ব্যক্তি/ সংস্থা বিজ্ঞাপনী কর/ মডেল ট্যাক্স মওকুফের সুবিধা পাবেন এবং স্থান বিশেষে ডিএনসিসি’র অনুমোদনক্রমে বর্ধিত বিজ্ঞাপনের কর প্রযোজ্য।

৩)�������� নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে যেমন- মোবাইল টয়লেট/ মোবাইল প্রস্রাব খানা/ প্রস্রাব খানা/ টয়লেট/ মেলা ইত্যাদির জন্য-

����������� ক)������� টয়লেটের ক্ষেত্রে বাৎসরিক প্রতি বর্গফুট������������ ����������� - ৩০/- (ত্রিশ) টাকা।

����������� খ)�������� মোবাইল টয়লেটের ক্ষেত্রে বাৎসরিক প্রতি বর্গফুট� ����������� - ৩০/- (ত্রিশ) টাকা।

����������� গ)�������� প্রস্রাব খানার ক্ষেত্রে বাৎসরিক প্রতি বর্গফুট��������������������� - ১৫/- (পনের) টাকা।

����������� ঘ)�������� মেলা/বৃক্ষমেলা (প্রতি মাসের জন্য) প্রতি বর্গফুট �� ����������� - ৩/- (তিন) টাকা।

����������� ঙ)�������� ষড় ঋতু বৃক্ষ মেলার ক্ষেত্রে প্রতি বৎসরে প্রতি বর্গফুট �������� - ১০ /- (দশ) টাকা।

�����������

৪) ভিহাইক্যাল সাইন/গাড়ীর বডিতে বিজ্ঞাপনঃ

ক) নৈতিকসম্মত পণ্যের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে পারবেন। এ ধরণের বিজ্ঞাপন কেবলমাত্র গাড়ীর ডান ও বাম পার্শ্বে প্রদর্শন করা যাবে। গাড়ীর অনুমোদিত রং এর সাথে সমন্বয় রেখে গাড়ীর বডির বাম ও ডান পার্শ্বে বিজ্ঞাপন বা স্টীকার লাগানো যাবে।

খ) গাড়ীর পিছনে ও সামনে বা উইন্ডশীল্ডে কোন বিজ্ঞাপন বা স্টিকার লাগানো যাবে না।

গ) � গাড়ীর পিছনে ও সামনে বা উইন্ডশীল্ডে কোন কিছু লিখা যাবে না, উইন্ডশীল্ড সব সময় সম্পূর্ণ স্বচ্ছ থাকতে হবে।

ঘ)�� অনুমোদিত পরিমাপের চাইতে বেশি পরিমাপের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যাবে না।

ঙ) বিজ্ঞাপনে বিজ্ঞাপনদাতা এবং বিজ্ঞাপনী এজেন্সীর পরিচয় উল্লেখ থাকবে।

চ) সিটি করপোরেশন (ঢাকা) এলাকার রম্নটপারমিটধারী যানবাহন এর জন্য বিজ্ঞাপন এক বছরের জন্য বহাল থাকবে এবং সকল শর্ত পালন সাপেক্ষে বছর ভিত্তিক নবায়ন করা যেতে পারে। নবায়ন করা হলে পরবর্তী বৎসরের কর চাহিদাপত্র ইস্যূর ১৫ দিনের মধ্যে অগ্রীম পরিশোধ করতে হবে।

ছ) � অশস্নীল, কুরম্নচিসম্পন্ন, বিরক্তিকর, অমার্জিত, বীভৎস, আপত্তিকর কার্টুন/ দৃশ্য/ ছবি/ বাণী লেখা, প্রচার বা প্রদর্শন করা যাবে না। কোন অশস্নীল বিজ্ঞাপনের জন্য আবেদনকারী/বিজ্ঞাপনদাতা/বিজ্ঞাপন এজেন্সী দায়ী থাকবে।

জ) বিজ্ঞাপনের জন্য আবেদনকারীকে বৈধ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি/মালিক হতে হবে।

ঝ) বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের অনুমতি পত্র যানবাহনের সাথে রাখতে হবে।

ঞ)�� অনুমোদনের স্মারক নম্বর ও হালনাগাদ মেয়াদ বিজ্ঞাপনের নীচের দিকে কোন একটি অংশে লিপিবদ্ধ থাকতে হবে।

ট) � কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে আরো শর্ত সংযোজন/পরিবর্তন করতে পারবে।

গ) ব্যানার/ফেস্টুন/প্লেকার্ড/পোস্টার/ভেন্যূম্যাপ/বড় বেলুন ইত্যাদি লাগানোর ক্ষেত্রেঃ

(১)������� প্রতিটি ব্যানারের জন্য প্রতি বর্গ মিটারে প্রতি দিন ১০/- (দশ) টাকা হারে বিজ্ঞাপনী কর প্রদান করতে হবে।

(২)������� প্রতিটি ফেস্টুন/প্লেকার্ড/ ভেন্যুম্যাপ ইত্যাদির জন্য প্রতি বর্গ মিটারে প্রতিদিন ১৫/- (পনের) টাকা হারে বিজ্ঞাপনী কর প্রদান করতে হবে।

(৩)������� বড় বেলুন প্রতিটি প্রতিদিন ১০০/- (এক শত) টাকা হারে বিজ্ঞাপনী কর প্রদান করতে হবে।

(৪)������� বিজ্ঞাপন মাস্টার প্লানে প্রদর্শিত স্থান ব্যতিরেকে কোন পোস্টার লাগানো যাবে না। উক্ত স্থানে দড়ি টানিয়ে দড়িতে আঠা লাগিয়ে পোস্টার লাগানো যাবে। বড়/ ছোট প্রতি পোস্টারের জন্য প্রতিদিন ৫(পাঁচ) টাকা হারে কর প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর লাগানো পোস্টার দড়িসহ অপসারণ করতে হবে। কোন অবস্থাতেই দেয়াল/ অন্য কোন স্থাপনায় পোস্টার লাগানো যাবে না।

(৫)������� প্রতিক্ষেত্রে সমপরিমাণ অর্থ জামানত হিসেবে ডিএনসিসি তহবিলে জমা প্রদান করতে হবে।

(৬)������� ব্যানার /ফেস্টুন/ প্লেকার্ড/পোস্টার/ ভেন্যূম্যাপ/ বড় বেলুন ইত্যাদি যথাসময়ে অপসারণ না করলে জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত বলে পরিগণিত হবে।

N)������� বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনের ক্ষেত্রেঃ-

১। প্রতি বর্গফুট আলোকিত/ অনালোকিত বিজ্ঞাপনী ফলকের কর নিম্নরূপঃ

ক্রমিক নং

বিজ্ঞাপন ফলকের ধরন

একক পরিমাপ

আলোকিত

অনালোকিত

বিজ্ঞাপনী কর

**

মডেল ট্যাক্স

***

বিজ্ঞাপনী কর

**

মডেল ট্যাক্স

***

১.

বিলবোর্ড/ নিয়ন/ম্যাগা / প্লাস্টিক / বেল / সপ/ ইন্ডিকেটর সাইন ইত্যাদি

বর্গফুট

৩০০/-

১৫০/-

২০০/-

১০০/-

২.

ইউনিপোল সাইন

বর্গফুট

৩০০/-

১৫০/-

২০০/-

১০০/-

৩.

ট্রাইভিশন

বর্গফুট

৯০০/-

৪৫০/-

.....

.....

৪.

স্ক্রলভিশন

বর্গফুট

১২০০/-

৬০০/-

.....

.....

৫.

ডিজিটাল টিভি সাইন

বর্গফুট

২০,০০০/-*

১০,০০০/-*

......

.....

৬.

ভিহাইক্যাল সাইন/গাড়ীর বডিতে বিজ্ঞাপন

বর্গফুট

.....

.....

১০০/-

.....

৭.

বৈদ্যূতিক পিলারে বিজ্ঞাপন

বর্গফুট

.....

.....

২০০/-

....

২। ব্যানার/পস্নাকার্ড/ফেষ্টুন/ভেন্যু ম্যাপ/বড় বেলুন/ পোষ্টার এর ক্ষেত্রে প্রতিদিন হিসাবে বিজ্ঞাপনী কর নিম্নরূপ।

ক্রমিক নং

ধরন

একক পরিমাপ

দর প্রতিদিন হিসাবে

১।

ব্যানার

প্রতি বর্গ মিটার

১০/-

২।

ফেস্টুন/পেস্নকার্ড/ভেন্যুম্যাপ

প্রতি বর্গ মিটার

১৫/-

৩।

বড় বেলুন

-

১০০/-

৪।

বড়/ ছোট পোস্টার

-

১০/-

* চিহ্নিত বিজ্ঞাপনী কর ও মডেল ট্যাক্স মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে আদায় করা যেতে পারে। অন্যথায় পূর্বের নিয়ম অনুসৃত হতে পারে।

** সিটি করপোরেশনের নিজস্ব জমি ও ভবন এবং সরকারী জমি ও ভবনের উপর স্থাপিত বিজ্ঞপনী ফলকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

*** বেসরকারী জমি ও ভবনের উপর স্থাপিত বিজ্ঞাপনী ফলকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

১৪।���� দন্ড/বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা আরোপ (সকল ধরনের বিজ্ঞাপন ফলকের ক্ষেত্রে)ঃ-

����������� বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনকারী ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান তাদের বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করার ক্ষেত্রে ‘‘সৌনদর্যবর্ধন ও বিজ্ঞাপনী নীতিমালা-২০০৯’’ এর পরিপন্থী / অনুমতি পত্রে দেয়া শর্তাবলী বর্হিভূত বা পরিপন্থী কোন কার্য করলে স্থান নির্ধারণী কমিটির আহ্বায়ক যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে উক্ত ব্যক্তি / প্রতিষ্ঠানের বিরম্নদ্ধে নিম্নেবর্ণিত যে কোন প্রকার এক বা একাধিক দন্ড/ বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা আরোপ করতে পারবেন। যথাঃ-

�����������

����������� ক)������� বিজ্ঞাপনী ফলক অপসারণ করতঃ প্রকাশ্য নিলাম/উন্মুক্ত টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয় করতে পারবেন।

  1. L)তালিকাভুক্তি বাতিলকরণ।
  2. M)উচ্ছেদ কার্যক্রমে ডিএনসিসি’র খরচকৃত অর্থ ডিএনসিসি’র অর্ডিন্যান্স ৮৩ এর ১১৫ ধারা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।
  3. N)জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্তকরণ।

১৫।���� অবৈধভাবে স্থাপিত বিজ্ঞাপনী ফলক/সপ সাইন এর ক্ষেত্রে ডিএনসিসি’র স্থান নির্ধারণ কমিটির /নির্ধারিত বিভাগ বা শাখার করণীয়ঃ-

����������� ক)����� অবৈধ বিজ্ঞাপনী ফলক সনাক্তকরণঃ-

(১)������� ডিএনসিসি’র ভূমিতে/ভবনের ছাদে বা পার্শ্বে স্থাপিত বিজ্ঞাপনী ফলকের কর মডেল ট্যাক্স হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে এমন বিজ্ঞাপনী ফলক।

(২)������� ব্যক্তিমালিকানাধীন/ডিএনসিসি’র সীমানার বাইরে অবস্থিত ভূমি/স্থাপনায় বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করলে উক্ত বিজ্ঞাপনী ফলকের কর মডেল ট্যাক্স হিসেবে পরিশোধ করতে হবে। এরূপ ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনী ফলকের স্ট্যান্ড/খুঁটি তথা স্ট্রাকচার ডিএনসিসি’র সীমানার বাইরে স্থাপন করা হলেও প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনী ফলক/স্থাপনার অংশবিশেষ/সম্পূর্ণভাবে ডিএনসিসি’র সীমানায় প্রবেশ করলে তা অবৈধ বিজ্ঞাপনী ফলক/স্থাপনা বলে গণ্য হবে।

����������� (৩)������� ডিএনসিসি’র অনুমোদন/অনুমতিবিহীন যে কোন প্রকার বিজ্ঞাপনী ফলক/ সপ সাইন।

����������� (৪)������� বিজ্ঞাপনী কর/মডেল ট্যাক্স পরিশোধের মেয়াদ উর্ত্তীণ হয়েছে এমন বিজ্ঞাপনী ফলক।

����������� (৫)������� অনুমোদিত/ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত স্থানের পরিবর্তে অন্য স্থানে স্থাপন করা বিজ্ঞাপনী ফলক।

����������� (৬)������� অনুমোদিত নকশা বহির্ভূত বিজ্ঞাপনী ফলক।

����������� (৭)������� অনুমোদিত পরিমাপের চেয়ে বেশী পরিমাপের বিজ্ঞাপনী ফলক।

����������� (৮)������� ভবন মালিক/কর্তৃপক্ষ এর ছাড়পত্র ব্যতিরেকে ছাদে স্থাপিত বিজ্ঞাপনী ফলক।

(৯)������� বিজ্ঞাপনী ফলক/ সপ সাইন/ ব্যানার/পোস্টার/ফেস্টুন বা অন্য কোন ভাবে প্রদর্শিত/স্থাপিত বিজ্ঞাপনের মডেল ট্যাক্স/বিজ্ঞাপনী কর প্রদান না করলে সেই সব বিজ্ঞাপনী ফলক/স্থাপনা/কার্যক্রম।

  1. L)অবৈধ পোষ্টার, ব্যানার, দেয়াল লিখন, আগাছা পরিষ্কারকরনসহ কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত অন্যান্য কাজ ওয়ার্ড পরিচ্ছন্ন কর্মী দ্বারা সম্পাদিত হবে।

১৬।������ অবৈধ বিজ্ঞাপনী ফলক এর কর আদায়করণঃ-

ঢাকা মহানগরীর যেকোন স্থানে যেকোন প্রকার বিজ্ঞাপনী ফলক/ সপ সাইন/ ব্যানার/ ফেস্টুন ইত্যাদি স্থাপন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপন কর / মডেল ট্যাক্স দিতে বাধ্য থাকবে। এ ক্ষেত্রে-

ক)������� ডিএনসিসি’র সংশিস্নষ্ট বিভাগ/শাখার অনুমতি ব্যতীত বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপন করলে তা অবৈধ বলে পরিগণিত হবে এবং এরূপ অবৈধভাবে স্থাপিত বিজ্ঞাপন ফলকের বিজ্ঞাপনী কর/ মডেল ট্যাক্স বৈধ বিজ্ঞাপনী ফলকের তুলনায় দ্বিগুণ পরিমাণ আদায় করা যাবে।

খ)�������� কর আদায়ের জন্য ‘‘অবৈধভাবে স্থাপিত বিজ্ঞাপন ফলকের বিজ্ঞাপনী কর / মডেল ট্যাক্স’’ শিরোনামে বিজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনকারী ব্যক্তি / প্রতিষ্ঠানকে পত্র/ নোটিশ দেয়া যাবে।

  1. M)কর প্রদানে গড়িমসিকারী/অনিচ্ছুক/বিলম্বকারী ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানকে পত্র/নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে কর পরিশোধ করতে হবে।
  2. N)নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর পরিশোধে ব্যর্থ ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক স্থাপিত বিজ্ঞাপনী ফলক প্রকাশ্য নিলাম/উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বিক্রির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
  3. O)অবৈধ ভাবে স্থাপিত বিজ্ঞাপনী ফলকের জন্য কর প্রদান করা না হলে বজ্ঞাপনী ফলক স্থাপনকারী ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানের বিরম্নদ্ধে বিধিমোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।

১৭।���� নিলাম/উম্মুক্ত দরপত্র করণের পদ্ধতিঃ-

�����������

(১)������� ডিএনসিসি’র আঞ্চলিক কমিটির স্ব-স্ব অঞ্চলে সময়ে সময়ে অবৈধভাবে স্থাপিত সকল প্রকার বিজ্ঞাপনী ফলক/স্থাপনার সংখ্যা ও পরিমাপসহ তালিকা প্রস্ত্তত করে নিয়মিত উচ্ছেদের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং উচ্ছেদকৃত/জব্দকৃত মালামাল নির্ধারিত স্থানে জমা প্রদান পূর্বক নিলাম/প্রকাশ্য টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয়ের জন্য ‘‘স্থান নির্ধারণী কমিটি’’র সদস্য- সচিব যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

১৮। মহাপরিকল্পনা (Masterplan)

  1. (1)রাসত্মার শ্রেনীবিন্যাস অনুযায়ী।
  2. (2)আবাসিক/বাণিজ্যিক/শিল্প এলাকা প্রকৃতি অনুযায়ী।
  3. (3)সংরক্ষিত এলাকা, ঐতিহাসিক গুরম্নত্বপূর্ণ এলাকা, পার্ক/লেক ও নীরব এলাকা অনুযায়ী।
  4. (4)ট্রাফিক সাইন আড়াল বা বিঘ্ন না করা অনুযায়ী।
  5. (5)ইন্টারসেকশনের আকার/আকৃতি এবং গুরম্নত্ব অনুধাবন করে।
  6. (6)Shop Sign-এর ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য, প্রস্থ্য, উচ্চতা এবং Alignment নির্ধারণ করা।
  7. (7)বহুতল ভবনের বিভিন্ন সত্মরের সাইনের ক্ষেত্রে পরিমাপ, উপকরণ ও Alignment নির্ধারণ করা।
  8. (8)এলাকা ভিত্তিক সাইনের প্রকার ও পরিমাপ নির্ধারণ করা।
  9. (9)জননিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য, জনসম্পত্তি, পথচারী ও যান চলাচল এবং জনকল্যাণে ন্যূনতম মান রক্ষা করা।
  10. (10)বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণ করা।
  11. (11)স্থাপত্য/প্রকৌশলগত/প্রযুক্তিগত সমসাময়িক মান বজায় রাখা।
  12. (12)বৃক্ষরোপণ এবং ল্যান্ডস্কেপিং-এর স্থান নির্ধারণ করা (বৃক্ষ রোপণ ম্যানুয়েল অনুযায়ী)।
  13. (13)পোস্টারিং স্ট্যান্ডের জন্য স্থান ও পরিমাপ নির্ধারণ করা।
  14. (14)স্বতন্ত্র স্ট্যান্ডে দৈনিক পত্রিকা প্রদর্শনের জন্য স্থান ও পরিমাপ নির্ধারণ করা।
  15. (15)যাত্রীছাউনির স্থান নির্ধারণ করা।
  16. (16)পাবলিক টয়লেটের স্থান নির্ধারণ করা।
  17. (17)সড়ক দ্বীপ / মিডিয়ানের সৌন্দর্যবর্ধনের স্থান নির্ধারণ।
  18. (18)হোল্ডিং নম্বরসহ বাড়ীর ঠিকানা সাইনের রূপরেখা নির্ধারণ।
  19. (19)ডিএনসিসি’র পূর্নাঙ্গ মাল্টিকালার ম্যাপে সাইনের শ্রেনী বিন্যাসসহ সৌন্দর্যবর্ধনের মাস্টার পস্ন্যান তুলে ধরা।

১৯।���� উপসংহারঃ-

����������������������� এই নীতিমালায় সংযোজিত যে কোন শর্ত /আলোচ্য বিষয় /বিষয়াবলী ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ যে কোন সময় প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পরিবর্তন / পরিবর্ধণ/সংযোজন/ বিয়োজন/পরিমার্জন/ শিথিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।


(এনেক্স-১)

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা।

বিজ্ঞাপন ফলক স্থাপন কার্যে তালিকাভুক্তির আবেদন পত্র

প্যাড নং - . . . . . . . . . . . . .��������������������������������� �������� �������������������������������������� ক্রমিক নং . . . . . . . . .

১। আবেদনকারী ব্যক্তি/সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের নামঃ

২। ব্যক্তি/সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের ঠিকানাঃ

৩। স্বত্বাধীকারীর বর্তমান ঠিকানাঃ

৪। স্বত্বাধীকারীর স্থায়ী ঠিকানাঃ

৫। জরম্নরি ভিত্তিতে যোগাযোগের পূর্ণ ঠিকানা, ফোন নম্বারসহ ঃ

৬। কোন শ্রেণীতে তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে ঃ

ক) ব্যক্তিগত

খ) প্রথম শ্রেণী(বাণিজ্যিক)

৫,০০,০০১/- টাকা এবং তদুর্ধ টাকা পর্যমত্ম বিজ্ঞাপন কর পরিশোধে সক্ষম।

গ) দ্বিতীয় শ্রেণী(বাণিজ্যিক)

২,০০,০০১/- টাকা হতে ৫,০০,০০০/- টাকা পর্যমত্ম বিজ্ঞাপন কর পরিশোধে সক্ষম।

ঘ) তৃতীয় শ্রেণী(বাণিজ্যিক)

১/- টাকা হতে ২,০০,০০০/- টাকা পর্যমত্ম বিজ্ঞাপন কর পরিশোধে সক্ষম।

৭। কোন সংস্থা/প্রতিষ্ঠান অথবা অংশীদারি সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সেই সংস্থা/প্রতিষ্ঠান বা অংশীদারি সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ব্যবস্থাপক/পরিচালক যিনি সংস্থা/প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবেন তার নাম ও ঠিকানাঃ

৮। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে কর্মরত কোন সদস্য/কর্মচারী আবেদনকারীর আত্মীয় থাকলে আত্মীয়তার সম্পর্ক উল্লেখপূর্বক আত্মীয়ের নাম, পদবী, বিভাগ/জোন ও ঠিকানাঃ������������������������

আবেদনকারীর স্বাক্ষর ও তারিখ


শর্তাবলী

১। তালিকাভুক্তির জন্য সকল আবেদনপত্র ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত বিভাগ/শাখায় জমা দিতে হবে।

২। আবেদন পত্রের সাথে নিম্নলিখিত কাগজপত্রাদি সংযুক্ত করতে হবে।

ক) আয়কর সনদ।

খ) ব্যাংক হতে আর্থিক ক্ষমতার সনদ।

গ) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত/ নোটারী পাবলিক হতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কোন সদস্য/কর্মচারী আবেদনকারীর আত্মীয় কিনা তার হলফনামা।

ঘ) হালসনের ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স।

ঙ) আবেদনকারীর সদ্য তোলা ৪(চার) কপি পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি ১ম শ্রেনীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত।

চ) সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী/ব্যবস্থাপক/পরিচালক যিনি সংস্থা/প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন তার ৫(পাঁচ)টি সত্যায়িত নমুনা স্বাক্ষর সম্বলিত ৪(চার) টি শীট।

ছ) অংশীদারি সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৩০(ত্রিশ) টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের ওপর সম্পাদিত রেজিস্ট্রিকৃত অংশীদারিত্ব দলিল।

জ) সিটি করপোরেশনের বিজ্ঞাপন ব্যবসায় বিশেষ অভিজ্ঞতা থাকলে তার স্বপক্ষে করপোরেশনের মতামত।

। আবেদনপত্র যথাযোগ্যভাবে বিবেচনা করার পর বিবেচিত বিজ্ঞাপন সংস্থা/প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদিত তালিকাভুক্তি ফি নির্ধারিত চালান মারফত ডিএনসিসি’র তহবিলে জমাদানের নির্দেশ সম্বলিত পত্র দেয়া হবে।

৪। তালিকাভুক্তির জন্য নির্বাচিত ব্যক্তি/ বিজ্ঞাপনী সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের শ্রেণীভিত্তিক তালিকাভুক্তি ফি নিম্নরূপঃ

শ্রেণী

তালিকাভুক্তি ফি

নবায়ন ফি

১। ব্যক্তিগত

১০০/-(একশ) টাকা

৫০%

২। প্রথম শ্রেণী(বাণিজ্যিক)

৪,০০০/-(চার হাজার) টাকা

৫০%

৩। দ্বিতীয় শ্রেণী(বাণিজ্যিক)

২,০০০/-(দুই হাজার) টাকা

৫০%

৪। তৃতীয় শ্রেণী(বাণিজ্যিক)

১০০০/-(এক হাজার) টাকা

৫০%

৫। প্রতি অর্থ বৎসরে নিম্নে বর্ণিত সময়ের মধ্যে সকল শ্রেণীর তালিকাভুক্তি নবায়ন করতে হবে।

  1. K)সাধারণ নবায়ন ফি প্রদান পূর্বক- ১লা জুলাই হতে ৩১শে আগষ্ট পর্যমত্ম।
  2. L)জরিমানাসহ নবায়ন ফি প্রদান পূর্বক- ১লা নভেম্বর হতে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যমত্ম।

৬। উলেস্নখিত সময়ের মধ্যে কোন সংস্থা/প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তি নবায়ন করতে ব্যর্থ হলে সেই সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্তি বাতিল বলে গণ্য হবে।

৭। চাহিদা মোতাবেক আবেদন পত্রের সঙ্গে তথ্যাদি ও সনদ পত্র সংযুক্ত করা না হলে আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

৮। তালিকাভুক্তির পরবর্তী পর্যায়ে আবেদনপত্রের সঙ্গে দাখিলকৃত তথ্যাদি, সনদপত্র মিথ্যা বা ভূয়া প্রমাণিত হলে আবেদনপত্র বাতিল বলে গন্য হবে।

৯। কোন কারণ দর্শানো ব্যতীত যে কোন আবেদনপত্র বাতিল করার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংরক্ষিত থাকবে।

মূল্যঃ ১০.০০(দশ টাকা)


(এনেক্স- ২)

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা।

প্যাড নং...................������������������������������������������������������������������������������ ���� ক্রমিক নং.....................

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় সরকারী/বেসরকারী/ব্যক্তিমালিকানাধীন ভূমি/ভবন/স্থাপনা/অন্যান্য প্রযোজ্য স্থানে বিজ্ঞাপন সাইন/ফলক/ স্থাপনা স্থাপনের জন্য স্থান বরাদ্দের আবেদনপত্র।

১। আবেদনকারী ব্যক্তি/সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের নাম����������������� ঃ

২। পিতা/স্বামীর নাম����������������������������������������������� ঃ

৩। বর্তমান ঠিকানা ও ফোন নাম্বার������������������������������� ঃ

৪। স্থায়ী ঠিকানা ��������������������������������������������������� ঃ

৫। বিজ্ঞাপন সাইন/ফলক/স্থাপনা স্থাপনে প্রস্তাবিত স্থানের পরিচয়ঃ

���� ওয়ার্ড নং................ সিটি করপোরেশনের জোন নং- . . . . . . . . . . হোল্ডিং নং. . . .............

��

স্বত্বাধিকারীর নাম ও ঠিকানা ...........................................................................

৬। প্রসত্মাবিত স্থানে যে অধিকার বলে বিজ্ঞাপন সাইন/ফলক/স্থাপনা স্থাপন করা হবে তার স্বপক্ষে প্রমাণস্বরূপ মালিকানা দলিল/ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত কপি সংযুক্ত করতে হবে।

৭। ট্রেড লাইসেন্সের হালনাগাদ সত্যায়িত ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে।����������

৮। প্রসত্মাবিত বিজ্ঞাপন সাইন/ফলক/স্থাপনার পূর্ণাঙ্গ নকশা্ সংযুক্ত করতে হবে।

৯। প্রসত্মাবিত স্থানের স্কেল অনুযায়ী একটি লোকেশন পস্ন্যান যা নির্ধারিত স্থানে বিজ্ঞাপন সাইন/ফলক/স্থাপনার অবস্থান দেখাবে এবং একই সংগে একটি এ্যালিভেশন পস্ন্যান সংযুক্ত করতে হবে যা বিজ্ঞাপনসাইন/ফলক/স্থাপনা সম্পর্কিত বিভিন্ন উপকরণের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখা প্রদান করবে। এতে নিম্নের তথ্যাদি অমত্মর্ভূুক্ত থাকবে।

(ক) বিজ্ঞাপন সাইন/ফলক/স্থাপনার বিভিন্ন দিক বা অবস্থান।

(খ) ব্যবহৃত বিভিন্ন উপাদানের ধরন।

(গ) রাইট অব ওয়েতে অবস্থিত যে কোন প্রজেক্টিং সাইন হতে দূরত্ব।

(ঘ) আলোক সজ্জ্বার ধরন (যদি থাকে)।


১০। অন্যান্য তথ্যাবলীঃ

ক) বিজ্ঞাপন সাইন/ ফলক/স্থাপনার ধরন ও সংখ্যা।

খ) পরিমাপ (i) দৈর্ঘ্য . . . . . .,(ii) প্রস্থ্য . . . . . .,(iii) পুরম্নত্ব . . . . .,(iv) ওজন . . . . (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

গ) বিজ্ঞাপন সাইন/ফলক/স্থাপনার উচ্চতা ও পথচারী এলাকা হতে এর দৃষ্টি স্বচ্ছতার উচ্চতা . . . . . . . . ।

ঘ) অভিক্ষেপ . . . . .

ঙ) স্থাপনা পদ্ধতি . . .

চ) বৈদ্যুতিক সংযোগের বিসত্মারিত বিবরণ (যদি থাকে) . . . . . . . .

১১। আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী এই মর্মে অঙ্গীকার করছি যে, উপরোক্ত বিবরণী আমার জ্ঞান ও জানামতে সঠিক ও সত্য এবং আমি কোন প্রকার অসত্য বা শঠতার আশ্রয় গ্রহণ করিনি এবং এতদ্সংক্রামত্ম বিষয়ে সকল বিধি নিষেধ মেনে চলতে বাধ্য থাকব। অন্যথায় সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ যে কোন সময় অনুমতি বাতিল করতে পারবে। বাতিলের পর স্থাপিত সাইন উচ্ছেদকরণসহ ক্ষতিপূরণ আদায়ে নির্ধারিত জরিমানা আরোপসহ অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

আবেদনকারীর স্বাক্ষর ও তারিখ

মূল্যঃ ২০.০০(বিশ) টাকা।


(এনেক্স- ৩)

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা।

প্যাড নং...................������������������������������������������������������������������������������ ���� ক্রমিক নং.....................

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকাধীন সড়ক, মিডিয়ান, মিডিয়ান সড়কের কাঁচা অংশ, সড়কদ্বীপ, সড়ক চত্বর, পার্ক, যাত্রীছাউনি, ফুটওভার ব্রীজ, ফ্লাইওভার ও অন্যান্য প্রযোজ্য স্থান/স্থাপনা সৌন্দর্যবর্ধনমূলক কার্যের নিমিত্তে স্থান বরাদ্দের আবেদনপত্র।

১। আবেদনকারীর পূর্ণ নাম���� :

২। পিতা/স্বামীর নাম����������� :�

৩। বর্তমান ঠিকানা������������� :

৪। স্থায়ী ঠিকানা����������������� :�

৫। সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যম������ :

ক) বৃক্ষ/গাছপালা�� খ) ফোয়ারা��������� গ) মূর‌্যল আর্ট��� ঘ) ভাস্কর্য������ ঙ) যাত্রীছাউনি চ) ফুটওভার�� ব্রীজ ছ) অন্যান্য মাধ্যম।

৬। প্রসত্মাবিত স্থানের পরিচয়ঃ

����������� ওয়ার্ড নং ..................সিটি করপোরেশনের জোন নং ............................ থানা...............................

৭। প্রসত্মাবিত স্থানের পূর্ণ ঠিকানাঃ .......................................................................................................

...............................................................................................................................................

৮। প্রসত্মাবিত স্থানের ধরনঃ

����������� ক) সড়ক������� খ) সড়ক মিডিয়ান������� গ) মিডিয়ান সড়কের কাঁচা অংশ��� ঘ) সড়ক দ্বীপ�������������� ঙ) সড়ক চত্বর� চ) পার্ক�������������� ছ) অন্যান্য।

৯। প্রস্তাবিত সৌন্দর্যমূলক কার্যের পূর্ণাঙ্গ নক্শা সংযুক্ত করতে হবে।

১০। প্রসত্মাবিত স্থানের স্কেল অনুযায়ী একটি লোকেশন পস্ন্যান যা নির্ধারিত স্থানে প্রসত্মাবিত সৌন্দর্যবর্ধনমূলক কার্যের অবস্থান দেখাবে।

১১। আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী এই মর্মে অঙ্গীকার করছি যে, উপরোক্ত বিবরণী আমার জ্ঞান ও জানামতে সঠিক ও সত্য এবং আমি কোন প্রকার অসত্য বা শঠতার আশ্রয় গ্রহণ করিনি এবং এতদ্সংক্রান্ত বিষয়ে সকল বিধি নিষেধ মেনে চলতে বাধ্য থাকব। অন্যথায় সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ যে কোন সময় অনুমতি বাতিল করতে পারবে। বাতিলের পর সৌন্দর্যবর্ধনমূলক কার্যক্রম উচ্ছেদকরণসহ ক্ষতিপূরণ আদায়ে নির্ধারিত জরিমানা আরোপসহ অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

আবেদনকারীর স্বাক্ষর ও তারিখ

এনেক্স-৪

নিম্নে উলেস্নখিত এলাকাগুলো সাইন সংরক্ষিত এলাকা বলে বিবেচিত হবে।

  • জাতীয় সংসদ ভবন
  • রায়ের বাজার বধ্যভূমি
  • জিয়া উদ্যান
  • ধানমন্ডি লেক
  • গুলশান বারিধারা লেক
  • মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানা
  • বিমান বন্দর
  • সরকারী হাসপাতাল সমূহ
  • এছাড়া কর্তপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন স্থান বা সরকারী গুরম্নত্ববপূর্ণ ভবনসমূহ অবস্থিত এলাকা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন

ঢাকা মহানগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও বিজ্ঞাপন

নীতিমালা - ২০০৯

News & Events

Office Order

Visitors

Now in online

0

0

0

0

0

0

0

2

Total Visitors  

0

1

4

3

8

6

2

5

Emergency Number Emergency Number